
আইস্ক্রিনে আসছে ‘মিশন ডিডিএলজে’
‘আমরা যারা ৮০ সালে জন্মেছি, ৯০ দশকে বেড়ে উঠেছি, তাদের প্রেম বা ভালো লাগায় শাহরুখ খানের সিনেমার অনুপ্রেরণা থাকবেই।’ এমনটাই বললেন নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক,,,,

আজকের শাকিব খানকে দেখে বুঝার কি সুযোগ আছে তিনি অভিনয়ে প্রথম জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন? এলাম আর জয় করলাম এমন সৌভাগ্য পাননি তিনি। অভিনয় জীবনের প্রথম সিনেমা ‘অনন্ত ভালোবাসা’র স্যুটিং করতে যাবেন কক্সবাজারে। যাতায়াতের ক্ষেত্রে নায়ক-নায়িকার জন্য সাধারনত ভিন্ন আয়োজন থাকে। ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে যাবার সুযোগ থাকলে আর কেউ না হোক হিরো, হিরোইনের জন্য আকাশ পথেই উড়াল দেয়ার সুযোগ রাখা হয়। হিরো, হিরোইন বলে কথা। আকাশ পথে উড়াল দেয়ার সুযোগ না থাকলে তাদের জন্য নিদেশ পক্ষে স্পেশাল মাইক্রোবাসের ব্যবস্থা রাখা হয়।
কিন্তু শাকিব খানতো নতুন হিরো। কাজেই তার জন্য স্পেশাল কিছুই আয়োজন করা হল না। একটি বাসে নায়ক, নািয়কা, পরিচালক, প্রযোজক, ইউনিটের আরও অনেক মানুষ উঠলেন। তখনকার দিনে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের জার্নি আজকের মতো এতটা স্বস্থিদায়ক ছিল না। পথের দুরত্ব তো আছেই। তার উপর অনেক জায়গায় ভাঙ্গা রাস্তা। তবুও আনন্দ করেই কক্সবাজারে জীবনের প্রথম সিনেমার স্যুটিং করতে গিয়েছিলেন শাকিব খান। তাকে কেউ বলেন কিং খান, কেউ বলেন মেগাস্টার, কেউ বলেন বাংলা সিনেমার রাজপুত্র। একটানা ২৭ বছর বাংলা সিনেমায় সমানতালে রাজত্ব করে চলেছেন। আমাদের বাংলা সিনেমায় এখন পর্যন্ত তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বি তারকার আবির্ভাব ঘটেনি। এখনও আমাদের সিনেমায় শাকিব খানই নাম্বার ওয়ান।

তাঁর প্রথম সিনেমা ‘অনন্ত ভালোবাসা’র কথা ভাবুন তো একবার। একটি বাসে সবার সঙ্গে সড়ক পথের ঝক্কি ঝামেলা অতিক্রম করে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। আজকের দিনে কক্সবাজারে স্যুটিং এ যাবনে শাকিব খান। তার জন্য যাতায়াতের আয়োজনটা কেমন হতে পারে? বিমান বন্দরে উড়োজাহাজ অথবা হেলিকপ্টার প্রস্তুত। কখন আসবেন কিং খান? সে জন্য অধীর প্রতিক্ষা...
অভিনয়ের প্রতি আন্তরিক নিষ্ঠা, একাগ্রতা, ভালোবাসা ও সঠিক পরিকল্পনার কারণে শাকিব খান আমাদের বাংলা সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তী হয়ে উঠেছেন। দেশে বিদেশে তাঁর ভক্তের সংখ্যা অনেক। শাকিব খান কোনো সিনেমায় থাকা মানেই সেই সিনেমা হিট। এটাই বাস্তবতা। সমুদ্রের মতো বিশাল তার সিনেমা জীবন। সবটাই কি সুখের? আনন্দের? অনেক সাফল্যের ভীড়েও কি কোনো ব্যর্থতা নেই। ব্যক্তি শাকিব খান কি অভিনেতা শাকিব খানকে কখনও প্রশ্ন করেন? কখনও কি ভুল করেছেন তিনি? যা তাকে মাঝে মাঝে অস্থির করে? টানা ২৭ বছর বাংলা সিনেমার রাজত্ব ধরে রাখার মূল রহস্যই বা কী? এরকম অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সবার প্রিয় অভিনেতা আমাদের বাংলা সিনেমার রাজপুত্র, কিং খান। বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুর রহমান ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার সঙ্গে চ্যানেল আই এর দুটি পৃথক অনুষ্ঠানে জীবনের অনেক না বলা কথা সহজ ভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছেন শাকিব খান। আব্দুর রহমানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটির শিরোনাম ছিল ‘হ্যালো শাকিব খান’। আর পূর্নিমার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটির নাম ছিল- চাঁদ তারার গুঞ্জরন। এই দুটি অনুষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে আনন্দ আলোর জন্য এই শীর্ষ কাহিনী লিখেছেন সম্পাদক রেজানুর রহমান।
শুকরিয়া সৃষ্টিকর্তার প্রতি
শাকিব বললেন, মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেছে। ভাবতে অবাক লাগছে এখনও নিষ্ঠার সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছি। এজন্য মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি অনেক শুকরিয়া। মাঝে মাঝে ভাবি ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা এতো খারাপ। নানা অভিযোগ। তবে হ্যা, অনেক সমস্যা, সংকটের মধ্যেও দেশে ভালো সিনেমা নির্মিত হচ্ছে। বিগ বাজেটের সিনেমাও হচ্ছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটাই আমার কথা।
দর্শকই আমার ভালোবাসা
আমি আসলে একটি ভালো সিনেমার জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকি। ভালো কাজ করতে ভালোবাসি। ভালো কাজ মানুষ দেখবে, ভালো, মন্দ বলবে এটাই চাই। আমি অভিনয় করি মানুষের জন্য। আমার অডিয়েন্স অর্থাৎ দর্শকদের জন্য। দর্শকই আমার ভালোবাসা।
আর নয় ঈদ কেন্দ্রীক সিনেমা
বিগত সময় গুলোতে ঈদ কেন্দ্রীক সিনেমাতেই বেশী কাজ করেছি। এর কারণ আমি আগের মতো অধিক সংখ্যক সিনেমায় কাজ করতে চাই না। তবে হ্যা, এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ঈদ কেন্দ্রীক সিনেমা থেকে একটু বের হতে হবে। এবছরই রিলিজ পাবে আমার নতুন ছবি সোলজার। এটা ঈদ কেন্দ্রীক সিনেমা নয়।
শাকিবকে ছোঁয়া যায় না...
শাকিব খানের নিকট প্রশ্ন ছিল, প্রযোজকদের অনেকের অভিযোগ শাকিব খানকে ধরা যায় না। ছোঁয়াও যায় না। একথা কত খানি সত্য?
শাকিব বললেন, এই অভিযোগ সত্য নয়। ধরতে চাইলেই ধরা যায়। ছুঁতে চাইলেই ছোঁয়া যায়। পাশের দেশের অবস্থা দেখেন... সাউথের একটি সিনেমায় নায়কের পারিশ্রমিক ৩ শ কোটি টাকা।
ওদের বাজার তো অনেক বড়। পাল্টা প্রশ্ন শুনে শাকিব খান বললেন, আমাদের বাজার যে খুব ছোট তা বলা যাবে না। আমাদের বাজারও বেশ বড়। আমাদের পপুলেশন অনেক। অডিয়েন্স প্রচুর। সেজন্য আমাদের সিনেমা কি প্রস্তুত?
মানুষ এখন হলে আয়েশ করে বসে সিনেমা দেখতে চায়
শাকিব খান বললেন, সিনেমার উন্নতি করতে হলে ভালো সিনেমা হলের বিকল্প নাই। মানুষ এখন আর গরমে ঘেমে, সীটের উপর পা তুলে সিনেমা দেখতে চায় না। সুন্দর সিনেমা হল, সুন্দর পরিবেশ চায়। পাশাপাশি নিরাপত্তাও চায়। এক্ষেত্রে সরকারেরও ভূমিকা জরুরি। জেলা পর্যায়ে সিনেপ্লেক্স হবে শুনেছি। কই তার তো কোনো উদ্যোগ দেখি না।
ক্লাশে একজনই প্রথম হয়
প্রসঙ্গক্রমে শাকিব খান বললেন, একজনকে দিয়ে তো এতবড় ইন্ডাস্ট্রি চলবে না। দেশে সিনেমার আরও অনেক নায়ক রয়েছেন। তবে কথা কি জানেন? ক্লাশে একজনই প্রথম হয়। এজন্য মেধা অধ্যবসায় ও শ্রম খুবই জরুরি।
ব্যক্তি শাকিব খান কেমন মানুষ
ব্যক্তি শাকিব খান নায়ক শাকিব খানের খুবই ভক্ত। সে শাকিব খানকে খুব ভালোবাসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাকিবিয়ান নামে একটি গ্রুপ আছে। দেশে-বিদেশে তাদের সংখ্যা অনেক। বিদেশে গেলে ব্যাপারটা বেশী করে টের পাই।
খ্যাতির বিড়ম্বনা
মাঝে মাঝেই খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবে আমি বিরক্ত হই নাই। আমি মনে করি জনপ্রিয় তারকাদের সব জায়গায় যাওয়া ঠিক না। এতে অন্যের প্রাইভেসি নষ্ট হয়। আমি শাকিব খানকে ভালোবাসি বলে যখন তখন যেখানে সেখানে যাওয়া পছন্দ করি না।

শাকিব খানের প্রতি প্রশ্ন ছিল দেশে বিদেশে আপনার তো অনেক ভক্ত। মেয়ে ভক্তের সংখ্যাই বেশি। ট্যাকেল করেন কিভাবে?
উত্তরে শাকিব বললেন, দূরে দূরে থাকি। তবে হ্যা ভক্তদের ভালোবাসা আমি বেশ এনজয় করি। গিফট আসে কেমন? প্রশ্ন শুনে শাকিব খান মৃদু হেসে বলেন, টুকটাক গিফট তো পাই। ড্রেস, পারফিউম, সানগ্লাস, আংটি, ওয়ালেট... আরও অনেক কিছু। তবে হ্যা গিফট নিয়েও বিড়ম্বনা আছে।
অনন্ত ভালোবাসা থেকে রকস্টার জার্নিটা কেমন?
শাকিব খান বললেন, দীর্ঘ জার্নি। খুব যে মসৃন ছিল তা বলা যাবে না। আমি ভালো কাজ ভালো ভাবে পরিশ্রম করে দর্শকদের উপহার দিতে চাই। বিগত সময়ে এই চেষ্টা করেছি। আগামীতেও একই চেষ্টা করে যাব।
গন্তব্য কতদুর?
শাকিব বললেন, সময়ই মানুষের গন্তব্য ঠিক করে দেয়। ওই যে বললাম ভালো কাজ করতে হবে। নিজের মতো করেই একটা অবস্থান তৈরি করতে হবে। ভালো কাজই আমার গন্তব্য। এটুকু জানি, মানিও...
কষ্টের দিন
হ্যা মনে পড়ে কষ্টের দিন গুলো। জীবনের প্রথম সিনেমার স্যুটিং করতে গিয়েছিলাম কক্সবাজারে। একটি বাসে চড়ে। নায়ক, নায়িকা, পরিচালক, প্রডিউসার সবাই এক সঙ্গে। কষ্ট হয়েছে। কিন্তু ব্যাপারটা বেশ আনন্দেরও ছিল। তখনকার শিল্পীরা বেশ পরিশ্রম করতো। আজকের মতো সুযোগ সুবিধা তো ছিল না।
ছবি প্রযোজনা প্রসঙ্গ
শাকিব খানকে প্রশ্ন করা হলো- আপনার তো একটি প্রযোজনা সংস্থা আছে। কেন নিস্ক্রীয়?
শাকিব খান বললেন, হ্যা আমার একটি প্রযোজনা সংস্থা আছে। আমরা এখান থেকে ছবি বানিয়েছি। এখন কেন বানাচ্ছি না তার একটা যুক্তি আছে। সাম হাউ আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অনেক ছোট হয়ে গেছে। ধরা যাক আমাদের প্রডাকশন হাউস থেকে একটা নতুন ছবি করা হবে। নায়ক কে? শাকিব খান। শাকিব খানই যদি নায়ক হয় তাহলে অন্য প্রডাকশন কাজটা করলে ক্ষতি কি? আমি যদি নতুন নতুন প্রডিউসারের সিনেমায় অভিনয় করি তাহলেও তো একটা দায়িত্ব পালন করা হয়।
যদি শাকিবকে পেতাম
শাকিব খানকে সবাই নতুন ছবিতে আশা করে। কিন্তু আশাহত হয়। এব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?
শাকিব খান বললেন, এর আগে এই ধরনের এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। ব্যাপারটা আবারও পরিস্কার করি। আমাকে পাওয়া না পাওয়ার ক্ষেত্রে শুধুই যে অর্থনৈতিক ব্যাপার থাকে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় দেখা যায় গল্প ভালো লাগলো না। গতানুগতিক গল্প। অথবা এই চরিত্র আমার জন্য নয়। পরিচালক হয়তো তাঁর জায়গা থেকে ভেবেছেন। কিন্তু এই চরিত্র আমার জন্য নয়। আমি তখন না বলি।
ফিল্মী পলিটিকস!
কথায় কথায় শাকিব খানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনি নাকি আপনার নতুন ছবির নায়িকা নিজেই ঠিক করেন?
শাকিব খান বলেন, ব্যাপারটা মোটেই এরকম নয়। কাজের ক্ষেত্রে আমি কখনও কোনো সার্কেল মেইনটেইন করি না। তবে হ্যা, নতুন সিনেমার ক্ষেত্রে পান্ডুলিপি পড়ার পর চরিত্র অনুযায়ী অনেক মুখ চোখের সামনে ভাসে। তাদের কথা বলি। এমন না যে তাকে নিতেই হবে।
শাকিব খানের ৮০ জন নায়িকা
এযাবৎ দেশ বিদেশের প্রায় ৮০ জন নায়িকা শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করেছেন। সাংবাদিক আব্দুর রহমান এই তথ্য প্রকাশ করতেই শাকিব খান ওয়াও বলে উঠলেন। অভিভূত কণ্ঠে বললেন, সংখ্যাটা এতো বড়? কখন এতো কাজ করলাম? সবার নামও তো মনে নাই। অনেকের সঙ্গে দ্বিতীয়বার হয়তো দেখাও হয়নি।
ভুল তো কিছু হয়েছে
২৭ বছর অনেক বড় জার্নি। কেউ কেউ আপনাকে রহস্য পুরুষ বলে থাকেন। নিজের বর্তমান অবস্থানকে কিভাবে দেখেন? কখনও কখনও কি মনে হয় জীবনটা এমন না হয়ে এমন হতে পারতো? ভুল করেছি মনে হয়?
প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বললেন, ভুল তো কিছু হয়েছে। যা হওয়ার ছিল না তা হয়েছে। অনেক ভুল চোখের সামনে আসে। তখন মনে হয় এই কাজটা না করলেও পারতাম। এইটা এমন না হয়ে এমন হলে কি এমন হতো?
ভুল কেন হয়েছে? এজন্য কি আফসোস হয়? প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বললেন, কপাল... এটা বোধকরি কপালে লেখা ছিল।
মন নরম বলে কি ভুল হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বললেন, আমার মন সব সময়ই নরম... ভুল গুলো না হলে হয়তো জীবন আরও স্মুথ হতে পারতো। মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আফসোস করে লাভ নেই।
আরেকবার দেবদাস করতে চাই
চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায় শরৎচন্দ্রের দেবদাস এ অভিনয় করেছিলেন শাকব খান। নতুন করে আবার দেবদাস এ অভিনয় করতে চান। আবেগ জড়ানো কণ্ঠে বললেন, যখন দেবদাস করেছি তখন আমি বছরে প্রায় প্রতি মাসে নতুন ছবিতে অভিনয় করতাম। ফলে দেবদাস এ মনের মতো অভিনয় করতে পারিনি। আবার সময় নিয়ে দেবদাস করতে চাই।
আর কতদিন রাজত্ব?
প্রশ্ন শুনে শাকিব খান বললেন, রাজত্ব কথাটা ঠিক নয়। তবে আমি আমার সিনেমার ভক্তদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তারা আমাকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসে বলেই আমি আনন্দের সঙ্গে অভিনয় করে চলেছি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমার শক্তি। যতদিন তারা চাইবেন ততদিন অভিনয় চালিয়ে যাব।
বিনোদন নিয়ে
লোড হচ্ছে...

‘আমরা যারা ৮০ সালে জন্মেছি, ৯০ দশকে বেড়ে উঠেছি, তাদের প্রেম বা ভালো লাগায় শাহরুখ খানের সিনেমার অনুপ্রেরণা থাকবেই।’ এমনটাই বললেন নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক,,,,

প্রেম ভালোবাসা, মায়া ও শ্রদ্ধায় মোড়ানো এক সন্ধ্যার গল্প! বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সবার প্রিয় শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছিলেন সবাই। বই এবং বউ নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি

খ্যাতির মোহ নয়, কাজটাই মন দিয়ে করতে চান শ্যামল মাওলা। প্রায় দেড় যুগের অভিনয়জীবনে তিনি বারবার নিজেকে নতুন করে গড়ার চেষ্টা করেছেন।

ভালোবাসার মহাসমুদ্রে কত কথা কত স্মৃতি! শাহজাহান সত্যিকার অর্থে প্রায় বাকরুদ্ধ। আবেগে থর থর করে কাঁপছে। তার দু’চোখে আনন্দ আর সুখের কান্না। জানতে চাইলাম-কেমন লাগছে শাহজাহান?

আবারও বড়পর্দায় জুটিবদ্ধ হয়ে আসছেন আফরান নিশো ও তমা মির্জা। ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘দাগি’র পর এবার এই জুটিকে নিয়ে নিজের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন ভিকি জাহেদ। নিশো-তমা জুটির তৃতীয় এই সিনেমাটির নাম হতে....

সম্প্রতি ‘হইচই’ এ মুক্তি পেয়েছে সালেহ সোবহান অনীমের তারকাবহুল ওয়েব সিরিজ ‘হেডলাইন’। সেই সিরিজে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন। হেডলাইন ও সম্প্রতি বিষয় নিয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা হয়......

বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা কাজী হায়াৎ দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, এফডিসিতে সিনেমা নাই। তবে নির্বাচন আছে। শিল্পী সমিতির নির্বাচন বেশ জমজমাট হয়। এবারও তাই হয়েছে। আমাদের শিল্পী সংখ্যা অনেক,

রইদ: রহস্যের আঁধারে আলোর আল্পনা সাধুদের জীবনে পাগলীরা বারবার আসে। নানা রূপে আসে। এটা ঘটে এসেছে। ঘটছে। এবং এভাবে ঘটতে থাকবে। নিঃসঙ্গ আদমের জীবনে হাওয়া আসুক, আর হাওয়া খুঁজে নিক রইদকে।