Ad space

সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক পজিটিভ দিকও আছে

প্রকাশ:
25
Image

প্রশ্ন: হইচই-এ মুক্তি পেয়েছে আপনার অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘হেডলাইন’। কেমন সাড়া পেলেন?

সারিকা সাবরিন: আমি তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেই অনেক বছর। ফলে আওয়াজটা ভালোমতো শুনতে পাওয়ার কথা নয়। কারণ এখন তো আলোচনা-সমালোচনা সবই হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে কয়েকজন সিরিজটি দেখার পর সরাসরি ফোনে জানিয়েছেন, ভালো হয়েছে। আমার সহকর্মীরাও বলেছেন, দর্শক সিরিজটি পছন্দ করবে। তা ছাড়া ওয়েব সিরিজটিতে আরো যাঁরা অভিনয় করেছেন সবারই আলাদা ফ্যান-ফলোয়ার আছে। নির্মাতা সালেহ সোবহান অনীমও মেধাবী। অন্যদিকে হইচই এই মুহূর্তে বাংলা কনটেন্টের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম।

প্রশ্ন: সিরিজটিতে আপনার চরিত্র কেমন?

সারিকা সাবরিন: একেবারে পরিষ্কার করে বলতে চাই না। আমার চরিত্রের নাম দোলন। সে সাংবাদিক জহিরের স্ত্রী। বেশ বুদ্ধিমতী। একসময় না চাইতেও একটি রহস্যের মধ্যে সে জড়িয়ে পড়ে।

প্রশ্ন: অভিনয়ে কি আর নিয়মিত হবেন না?

সারিকা সাবরিন: আমি তো কাজ করতে চাই। তবে ভালো কাজ আমার কাছে আসে কম। কেন আসে না, সেটাও বুঝতে পারছি না। নাকি আমার পর্যন্ত আসতে আসতে ভালো কাজ ফুরিয়ে যায়, কে জানে! একটা ভালো গল্প, দারুণ একটা চরিত্র আর গুণী নির্মাতা নিয়ে আসেন, আমি কাজটি করব। কখনোই ফিরিয়ে দেব না।

প্রশ্ন: নাটক তো করছেন না!

সারিকা সাবরিন: ওই যে একই কথা! প্রস্তাব নিয়মিত আসে। কিন্তু সেই একই ধরনের গল্প, একই ধরনের চিত্রনাট্য। শোবিজে দেড় যুগ হয়ে গেল। এখন তো একটু বেছে বেছে কাজ করা উচিত।

প্রশ্ন: ডিজিটাল যুগে তারকারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দারুণ সক্রিয়। আপনি নেই কেন?

সারিকা সাবরিন: অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভ্যস্ত বলেই আমাকে এই কথা বলছেন। আর আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেই বলে আমার কিছুই মনে হচ্ছে না। নিরিবিলি আছি। বলতে পারেন মজা পেয়ে গেছি। নিজের মতো করে জীবনটা কাটাতে পারছি। অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক পজিটিভ দিকও আছে। সেটা হয়তো মিস করছি। থাক না! সবই কি পেতে হবে?

প্রশ্ন: নতুন কাজে কবে দেখা যাবে?

সারিকা সাবরিন: কয়েকটি কাজের কথা চলছে। এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

Image

দাম্পত্যের নতুন গল্পে দীপা খন্দকার

এ সময়ের ব্যস্ত অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’তে ফুফু চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ কাজ শুরু করেছেন তিনি। এ কাজের শুটিং শুরু হবে এ সপ্তাহেই। সম্প্রতি রাজধানীর অদূরে পূবাইলে শুরু করেছেন মহিন খানের পরিচালনায় সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘কর্মফল’-এর কাজ। এ দুই কাজ শেষ করার পর চলতি মাসে রুবেল হাসান ও মহিদুল মহিনের নাটকে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন দীপা। দীপা খন্দকার অভিনীত হ্যাপিলি ম্যারিড ওয়েব ফিল্মের গল্পে উঠে এসেছে সম্পর্কের এক ভিন্ন বাস্তবতা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাপিলি ম্যারিড ওয়েব ফিল্মের গল্পটা সুন্দর। এখানে দেখা যায় আমার সঙ্গে যার বিয়ে হয়, তার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৮-২০ বছর। আমাদের মধ্যে সব সময় এটা-সেটা নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকে। তারপরও আমরা সুখে-শান্তিতে জীবন পার করে দিচ্ছি। আমাদের মধ্যে আলাদা হয়ে যাওয়ার কোনো ভাবনাই কাজ করে না। এরই মধ্যে আমরা সুখ খুঁজে নিই, শান্তি খুঁজে নিই।’

তবে গল্পের অন্য প্রান্তে ফুটে উঠেছে বর্তমান প্রজন্মের এক ভিন্ন চিত্র, যেখানে সম্পর্কের সুখ প্রকাশ পায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে। দীপা বলেন, ‘অন্য প্রান্তে দেখা যায় এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বিয়ে করে বারবার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানান দিতে চায় তারা খুব সুখে আছে। কিন্তু আদৌ কি তারা সুখে থাকে-এমন সব বিষয় নিয়েই মূলত হ্যাপিলি ম্যারিড ওয়েব ফিল্মটি নির্মাণ করা হচ্ছে। খুব ভালো একটি কাজ হচ্ছে।’

এদিকে ‘কর্মফল’ নামে নতুন একটি নাটকে কাজ করছেন দীপা। নাটকটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মহিনের নাটকে আগেও কাজ করেছি। বেশ যতœ নিয়ে মহিন কাজ করে। যেহেতু তার নিজের রচিত নাটকের নির্দেশনা সে নিজেই দিয়ে থাকে, তাই মহিনের কাজটাও খুব ভালো হয়। কর্মফল নাটকটি নিয়েও আমি আশাবাদী।

বৈশাখী টিভির নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’

বৈশাখী টেলিভিশনে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’। সপ্তাহের প্রতি শনি, রবি ও সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে এটি। রচনা ও পরিচালনায় মহিন খান। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাউদ্দিন লাভলু, চিত্রলেখা গুহ, আরফান আহমেদ, শেলী আহসান, রকি খান, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সাব্বির অর্ণব, হায়দার আলী, জুলফিকার চঞ্চল, সীমান্ত আহমেদ, হানিফ পালোয়ান, জ্যোতি ইসলাম, অনন্যা ইসলাম, সুমাইয়া অর্পা, হিরা মনি, রিমু রোজা খন্দকার প্রমুখ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, বাশার সাহেব একজন সফল ব্যবসায়ী। ঢাকা শহরে তার গাড়ি-বাড়ি, টাকা-পয়সার অভাব নেই। তবে এসবই তার শ্বশুরের কাছ থেকে পাওয়া। তাই ঘরজামাই হিসেবে বউকে ভয় পেয়ে চলেন তিনি। বউ জুলেখা তাকে কড়া নজরে রাখেন। বাশার সাহেব কোনো মেয়ের দিকে তাকালেও সেটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া বেঁধে যায় ঘরে। এর মধ্যেই হঠাৎ গ্রাম থেকে তাদের বাসায় আসে কুদ্দুস, তার মা জামেলা ও তার বোন রাবেয়া। কুদ্দুস নিজেকে বাশার সাহেবের ছেলে হিসেবে দাবি করে, কুদ্দুসের মা নিজেকে বাশার সাহেবের স্ত্রী হিসেবে দাবি করে। বাশার সাহেবের সম্পত্তির ভাগের জন্যই তারা ঢাকায় এসেছে বলে সাফ জানিয়ে দেন। এরপর বাড়ির মধ্যে শুরু হয় লঙ্কাকা-। এমন ঝগড়াঝাটি, হাস্যরসেই এগোবে ‘গৃহযুদ্ধ’র গল্প।

Image

একই ফ্রেমে বিপাশা, তৌকীর, টনি ও প্রিয়া

এক সময়কার তুমুল জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী তৌকীর আহমেদ, বিপাশা হায়াত ও টনি ডায়েস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের দেখাও হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে টনি ডায়েস ও প্রিয়া ডায়েসের বিবাহিত জীবনের রজত জয়ন্তী অর্থাৎ ২৫ বছরে বিশেষ অনুষ্ঠান। দাম্পত্য জীবনের চলার পথের ২৫ বছরে টনি ও প্রিয়া এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন । যেখানে অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সফল সুখী তারকা দম্পতি তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত।

নিজেদের দাম্পত্য জীবনের পথচলার রজত জয়ন্তীতে এসে টনি ডায়েস বলেন, ক্যামেরার সামনে আমরা অসংখ্য গল্প বলেছি। আজ ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে মনে হলো সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা ছিল আমাদের ভালোবাসা। বছর পেরিয়েছে, দেশ বদলেছে। কিন্তু একসঙ্গে কাটানো শুটিং, রিহার্সেল, স্টুডিওর হাসি আর স্মৃতিগুলো আজও একদম তরতাজা। আমাদের ২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে শুধু আমাদের দুজনের উদযাপন ছিল না, এটা ছিল বহু বছরের সম্পর্ক, বন্ধুত্ব আর অসংখ্য স্মৃতিরও এক মিলনমেলা। সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা যারা আমাদের নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সময় নিয়ে এসেছেন এবং আমাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে গেছেন, আমাদের শুভ কামনা জানিয়ে গেছেন। প্রার্থনা কামনা করি সবার কাছে যেন সারাটা জীবন আমরা একসঙ্গে সুখে শান্তিতে কাটাতে পারি।

উল্লেখ্য, টনি ডায়েস ও বিপাশা হায়াত অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে ‘যা আছে অনুভবে’, ‘আংশিক আকাশ’ ইত্যাদি। উল্লেখ্য, টনি প্রিয়ার অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন তানিয়া আহমেদ, দিনাত জাহান মুন্নী, রুমানা, সাফাওয়াত খান সাফু, তমালিকা কর্মকারসহ আরো অনেকে।

মেগাসিরিজ ‘খুশবু’

দীপ্ত টিভিতে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট ও রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে মেগাসিরিজ ‘খুশবু’। পরিচালক সাজ্জাদ সুমন। অভিনয়ে ফজলুর রহমান বাবু, গাজী রাকায়েত, ইন্তেখাব দিনার, নাজিয়া হক অর্ষা, মাইমুনা ফেরদৌস মম, সামিরা খান, মিষ্টি ঘোষ, সাকিব হোসাইন, সায়র নিয়োগী, শেখ ফারিয়া হোসেন, মারিয়া মউ প্রমুখ।

Image

সব কষ্ট ভুলিয়ে দিচ্ছে দর্শক

বিগত এক মাসে বেশ কয়েকটি নাটক এসেছে পারসা ইভানার। প্রায় সব নাটকেই প্রশংসা পেয়েছেন দর্শকের। সম্প্রতি বিষয় নিয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা হয়।

প্রশ্ন: ‘অথবা তুমি আমি’ নাটকটি দর্শক কেমন পছন্দ করেছেন?

পারসা ইভানা: এটা অন্য রকম গল্প। এই ধরনের চরিত্রে আমাকে আগে খুব একটা দেখা যায়নি। ইমরাউল রাফাত ভাই সব সময় একটু এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করেন। আমি অপেক্ষায় থাকি তাঁর সঙ্গে কাজ করতে। নাটকটিতে আমার সঙ্গে আছেন ইয়াশ রোহান। এটা মনে হয় আমাদের চার নম্বর নাটক।

প্রশ্ন: অনেকে তো গ্ল্যামারাস চরিত্র খোঁজেন। আপনি কি গ্ল্যামারাস চরিত্র থেকে বের হতে চাইছেন?

পারসা ইভানা: আমি ভালো কাজ করতে চাই, চেয়েছি। তার চেয়েও বড় কথা, আমি অভিনেত্রী হতে চেয়েছি, নায়িকা নয়। রাফাত ভাই অভিনয় করার সুযোগটা দিয়েছেন। প্রথম যখন প্রস্তাবটি দিয়েছিলেন সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছি। কোনো কথা বাড়াইনি। এটা শুধু একটা চরিত্র বা গল্প নয়, সমাজের প্রতি একটা বিশেষ বার্তাও আছে। সেটা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হতে পেরে ভালো লাগছে। আগামীতে এই ধরনের চরিত্র পেলে আরো করতে চাই।

প্রশ্ন: ওটিটিতে আপনার শেষ কাজ ‘একসাথে আলাদা’। ওয়েব ছবিটি কেমন হয়েছে?

পারসা ইভানা: খুব ভালো। এই ছবিতেও দারুণ একটা বার্তা ছিল। আমরা মনে করি ডিভোর্স মানেই সব শেষ। আসলে তা নয়। ডিভোর্স হওয়ার পরও নতুন করে জীবন শুরু করা যায়; বরং মেনে নিয়ে আর মানিয়ে নিয়ে থাকার চেয়ে আলাদা হয়ে যাওয়াটাই উত্তম। বছরের পর বছর একই ছাদের নিচে মানসিকভাবে আলাদা থাকার মানেই হয় না। ছবিটির গল্প লিখেছেন কারিনা কায়সার আপু। কি সুন্দরভাবে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন বলার বাইরে। আজ আর আমাদের মাঝে তিনি নেই। তিনি বেঁচে থাকলে আরো কিছু ভালো গল্প আমরা পেতাম।

প্রশ্ন: এর মধ্যে নতুন কী করলেন?

পারসা ইভানা: আশরাফুজ্জামান ভাইয়ের একটি একক নাটক করলাম। গত তিন দিন শুটিং করেছি। আমার সঙ্গে ছিলেন জিয়াউল হক পলাশ। তা ছাড়া দুটি টিভিসি করলাম-একটা স্মার্ট ফোনের, আরেকটা প্রাণের। ওটিটির আরেকটি কাজের কথা চলছে। সেটা নিয়ে এখনই বলতে চাই না। কারণ ওটিটির কাজ আগে থেকে বলা নিষেধ থাকে। এখন তো অফ সিজন। দুই ঈদ এবং পহেলা বৈশাখ, ভালোবাসা দিবস-সব চলে গেছে। এখন একটু কম কাজ হয়। তার পরও যা করছি, আলহামদুলিল্লাহ।

প্রশ্ন: বিশ্বকাপ দেখেছিলেন? কোন দল সমর্থন করেছিলেন?

পারসা ইভানা: নিয়মিত খেলা দেখা হয় না। শুটিং থাকলে সময়ও তো পাই না। তার ওপর সব খেলা মধ্যরাতে। মেসি আর নেইমার আমার প্রিয় খেলোয়াড়। যেদিন তাঁদের খেলা ছিল দেখার চেষ্টা করেছিলাম।

Image

সায়ান আমার কস্টিউম ডিজাইন করে দেয়

মধুচন্দ্রিমা থেকে ফিরে ফের অভিনয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নীলাঞ্জনা নীলা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নাটক ইউটিউবে এসেছে তাঁর।

প্রশ্ন: হানিমুনে শ্রীলঙ্কা গিয়েছিলেন। কেমন সময় কেটেছে?

নীলাঞ্জনা নীলা: অনেক ভালো। এই কয়দিন আমার জীবনে রঙিন অধ্যায় হয়ে থাকবে। চোখের পলকে দিনগুলো কেটে গেছে। কখনো সমুদ্রসৈকতে আবার কখনো পাহাড়ে বা জঙ্গলে-সব জায়গায় আমরা ঘুরেছি। এখন তো অফ সিজন। তার পরও যে ভাইবস পেয়েছি তা পৃথিবীর অন্য কোথাও গেলে পেতাম বলে মনে হয় না।

প্রশ্ন: বিয়ে তো হয়েছে রমজানে। হানিমুনে এত দেরিতে গেলেন কেন?

নীলাঞ্জনা নীলা: গত কয়েকমাস আমি একটুও বিশ্রাম পাইনি। টানা শুটিং করেছি। আগে থেকে শিডিউল দেওয়া ছিল। তাই কিছু করার ছিল না। সায়ান আমাকে বলেছিল, আগে কাজ শেষ হোক, তারপর ভ্যাকেশন। কোরবানির ঈদ পর্যন্ত টানা কাজ করে এরপর আমরা ছুটি পেলাম। টোটাল এক মাস হবে ছুটিতে ছিলাম, একটু নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছি।

প্রশ্ন: শুটিংয়ে কবে ফিরবেন?

নীলাঞ্জনা নীলা: এর মধ্যে কয়েকজন পরিচালক ফোন দিয়েছেন। শুরুতে একটা ওয়েব সিরিজ দিয়ে ফিরতে পারি। যদিও এখনো কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হলে হয়তো দ্রুত শুটিং করতে পারি।

প্রশ্ন: ঈদের পরও তো নতুন নাটকে আপনাকে দেখা গেল...

নীলাঞ্জনা নীলা: হ্যাঁ। কিছুদিন আগে এসেছে ‘ভ্রমর’। মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে ‘জামাই বউ অতি চালাক’ নাটকটা দারুণ হিট হয়েছিল। প্রায় দুই কোটি ভিউ হয়েছে। এটার পর থেকেই আমাদের জুটিটার ওপর নির্মাতারা ভরসা করছেন।

প্রশ্ন: স্বামীকে শুটিং স্পটে নিয়ে গেছেন কখনো?

নীলাঞ্জনা নীলা: মাঝেমধ্যে আমাকে ড্রপ করতে বা পিক করতে আসে। তবে বেশিক্ষণ থাকে না। সায়ানের একটা বিষয় না বললেই নয়, সে কিন্তু আমার কস্টিউম ডিজাইন করে দেয়, চয়েজ করে দেয়। আমার নাটক দেখে রিভিউও দেয়। বলতে পারেন অভিনয়ে সে আমার অন্ধ ভক্ত। প্রতিটি কাজ খুব মনযোগ দিয়ে দেখে।

প্রশ্ন: এখন কি তুলনামূলক কম নাটক হচ্ছে?

নীলাঞ্জনা নীলা: হ্যাঁ, আমরা এ সময়টাকে বলি ডাল সিজন। দুই ঈদ আর ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখেই শোবিজে কাজের হিড়িক পড়ে। উৎসবগুলোর পর অনায়াসেই কাজ কমে যায়। এটা নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বরে আবার দেখবেন শিডিউল নিয়ে টানাটানি পড়বে। প্রথম সারির অভিনয়শিল্পীরা তো শিডিউলই দিতে পারেন না তখন।

বিশ্বাস বনাম সরদার’ ধারাবাহিক নাটক

মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রতি সপ্তাহে রবি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘বিশ্বাস বনাম সরদার’। রচনা: বৃন্দাবন দাশ, পরিচালনা: সকাল আহমেদ। অভিনয়ে চঞ্চল চৌধুরী, মৌসুমী হামিদ, প্রাণ রায়, জয়রাজ, ফারজানা ছবি, শাহনাজ খুশি, দিব্য জ্যোতি, সৌম্য জ্যোতি, লাবণ্য লিজা, তাবাসসুম মিথিলা, মাসুম বাশার, শিরিন আলম প্রমুখ।

এখন যে অবস্থানে আছি সেটা নিয়েও সন্তুষ্ট

একক ও ধারাবাহিক নাটকের জনপ্রিয় মুখ ফারজানা আহসান মিহি। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত শুরু হয়েছে তাঁর নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘এক পাতিলের সংসার’। সে সব নিয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা হয়।

প্রশ্ন: ‘এক পাতিলের সংসার’ ধারাবাহিকটির গল্প কী নিয়ে? আপনার চরিত্রটি কেমন?

ফারজানা আহসান মিহি: গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারের গল্প। একটা সময় আমরা ‘রঙের মানুষ’, ‘সাকিন সারিসুরি’র মতো ধারাবাহিক নাটক দেখেছি। একদম ‘র’ গ্রামের চিত্র উঠে আসত নাটকগুলোতে। ‘এক পাতিলের সংসার’ও তেমন। এখানে মোশাররফ করিম, আ খ ম হাসান, শামীম জামান ও আলিফ-চার ভাই। তাদের দাদা এখনো সংসারটাকে নিয়ন্ত্রণ করে। দাদার সঙ্গে নাতিদের খুনসুঁটি, ভালোবাসা, মান-অভিমান নিয়ে গল্প। আমার চরিত্রটি সাদামাটা গ্রাম্য মেয়ের। পরীক্ষায় ফেল করার পর যার সব স্বপ্ন ভেস্তে যায়। পরিবার চাপ দেয় বিয়ে করার জন্য।

প্রশ্ন: একই চ্যানেলে ‘রঙিলা পুতুল’ নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটকেও আপনাকে দেখা যাচ্ছে...

ফারজানা আহসান মিহি: এই ধারাবাহিকেও আমার সঙ্গে আছেন মোশাররফ করিম ভাই। পুরো ক্যারিয়ারে মাত্র চারটি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছি আমি-সবটিতেই মোশাররফ ভাইকে পেয়েছি। ‘রঙিলা পুতুল’-এর পরিচালক মোশাররফ ভাইয়ের বড় ভাই শামস করিম ভাই। উনারা আমাকে সব সময় পরিবারের সদস্য মনে করেন। আমার বাড়িও বরিশাল। সেদিক থেকে একটু বাড়তি ভালোবাসা তো পাই-ই।

প্রশ্ন: প্রথম দিন মোশাররফ করিমের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

ফারজানা আহসান মিহি: বছর দুই-তিন আগের কথা। তখন আমি আজকের মিহি নই। যখন শুনলাম ডিরেক্টর আমার বিপরীতে মোশাররফ করিম ভাইকে কাস্ট করেছেন খুব ভয় পেলাম। এত বড় একজন অভিনেতা! আমি যদি শট ভুল করি তাহলে তো বকা শুনতে হবে। এমনকি উনি বলেও ফেলতে পারেন, এ নায়িকা চলবে না। খুব ভয়ে ভয়ে স্পটে হাজির হলাম। প্রথম দেখাতে তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন। পাশে বসিয়ে জিজ্ঞেস করলেন আগের কাজগুলো নিয়ে। একটু পরেই আবিষ্কার করলাম, তিনি আমাকে সহজ করে নিয়েছেন। সেদিন শুটিং শেষে মোশাররফ ভাই বললেন, ‘অনেক নতুনদের সঙ্গে কাজ করছি। তুমি লেগে থাক, অনেকদূর যেতে পারবে। তোমার মধ্যে সম্ভাবনা আছে।’

প্রশ্ন: এ পর্যন্ত কতগুলো একক নাটকে অভিনয় করেছেন?

ফারজানা আহসান মিহি: সঠিকভাবে বলাটা কঠিন। তবে মাসের সিংহভাগ দিনই আমি শুটিং করি। সে হিসেবে অন্তত ১০টি করে নাটক তো করছি। গত তিন বছর একই ভাবে চলছে। সে হিসাবে বছরে ১২০টি নাটক হলে তিন বছরে ৩৬০টি নাটকে আমাকে দেখা গেছে।

প্রশ্ন: এখনকার অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট? না আরো কিছু পাওয়ার আছে?

ফারজানা আহসান মিহি: মানুষ নিজেকে সব সময়ই সর্বোচ্চ স্থানে দেখতে চায়। আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে এখন যে অবস্থানে আছি সেটা নিয়েও সন্তুষ্ট। কয়জন শিল্পী আছেন, যারা মাসে ২০ থেকে ২৫ দিন শুটিং করছেন। এই ব্যস্ততা আমাকে দারুণ প্রশান্তি দেয়, তৃপ্তি দেয়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এমন ব্যস্ত থাকতে চাই।

Image

পাঁচ বছর পর ধারাবাহিকে তটিনী

পাঁচ বছর পর আবারো ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘ফিরে আসার গল্প’ শীর্ষক নতুন ধারাবাহিক নাটকে দেখা যাবে তাকে। এতে তার চরিত্রের নাম ‘নূরজাহান’। নির্মাতা জানান, পারিবারিক গল্পকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে নতুন এই ধারাবাহিক। আগামী মাসে এর শুটিং শুরু হবে। পরে নাটকটির সম্প্রচারসূচি জানানো হবে।

এর আগে রাজের ‘তোমাদের গল্প’, ‘তোমাদের গল্প-২’ এবং ‘সম্পর্কের গল্প’ নাটকে অভিনয় করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তটিনী। সম্প্রতি তিনি নির্মাতার নতুন নাটক ‘পথহারা’র শুটিংও শেষ করেছেন। অন্যদিকে, তটিনীকে সর্বশেষ দেখা গেছে জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত ‘কাজল চোখের মেয়ে’ নাটকে।

ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে তার জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ইউটিউবে প্রকাশের মাত্র আটদিনেই নাটকটি ১৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জন করেছে। তটিনী বলেন, রাজ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করাটা সব সময়ই আনন্দের। তিনি যে ধরনের কাজ করেন, সে রকম কাজে অভিনয় করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধও করি। আশা করছি, এবারের ধারাবাহিক ‘ফিরে আসার গল্প’ও দর্শক পছন্দ করবেন।

বিনোদন নিয়ে

লোড হচ্ছে...