
আইস্ক্রিনে আসছে ‘মিশন ডিডিএলজে’
‘আমরা যারা ৮০ সালে জন্মেছি, ৯০ দশকে বেড়ে উঠেছি, তাদের প্রেম বা ভালো লাগায় শাহরুখ খানের সিনেমার অনুপ্রেরণা থাকবেই।’ এমনটাই বললেন নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক,,,,

প্রেম ভালোবাসা, মায়া ও শ্রদ্ধায় মোড়ানো এক সন্ধ্যার গল্প!
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সবার প্রিয় শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছিলেন সবাই। বই এবং বউ নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি। ‘বই আর বউয়ের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব আছে কিনা আমার একটা বইয়ে সে কথা লিখেছি। আমার বাসায় একটা সময় বই রাখার জায়গা রাখা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। আমাদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যে বই গুলো পড়া হতো সেগুলো বাসার প্রতিটা রুমে দেয়াল ঘেষে রাখা হতো। একটা সময় দেয়াল জুড়ে বইয়ের স্তুপ সৃষ্টি হল। রুম থেকে বই এলো বারান্দায়। তারপর বই রাখতে হলো ওয়াশরুমে। একটা সময় দেখা গেল বাসায় আর বই রাখার জায়গা নাই। আমার স্ত্রী একদিন ক্ষেপে গিয়ে বললেন, হয় বই রাখো না হয় বউ রাখো।
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কথা শুনে আড্ডায় উপস্থিত সকলেই প্রাণ খুলে হো হো করে হেসে ফেললেন। বিশিষ্ট উপস্থাপক, ফারজানা ব্রাউনিয়া হাসতে হাসতেই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে জিজ্ঞেস করলেন- স্যার শেষ পর্যন্ত আপনি কাকে রাখলেন? বই না বউ?

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ মৃদু হেসে বললেন, বউকেই সঙ্গে রেখেছি। আমাদের দাম্পত্য জীবন ৬২ বছরের। সুতরাং বউকে কাছে রাখা ছাড়া আর কোনো পথ নাই। বউকে নিয়ে আরেকটা কথা বলতে চাই। আমার জন্য আমার বউ সারাজীবন কি করেছে সবাই তা জানে। কিন্তু আমি তার জন্য কি করেছি সেটা কেউ জানে না। সেটা আমি একটা বইয়ে লিখেছি। বইটা তার নামে উৎসর্গ করেছি। উৎসর্গ পত্রে লেখা আছে- ‘আমাকে সহ্য করে যে সব চেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।’
সবার প্রিয় শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের প্রতিটি কথাই যেন এক একটি মানবিক বোধের জন্ম দেয়। দেশাত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। সেজন্য কোনো অনুষ্ঠানে, আড্ডায় তাঁর উপস্থিতি মানেই অন্যরকম আনন্দ। সবাই উম্মুখ হয়ে থাকেন আজ তিনি কি বলবেন তা দেখার জন্য, শোনার জন্য তো বটেই।

সেদিন কনা রেজা ও ফরিদুর রেজা সাগরের বাসায় চমৎকার একটি আড্ডায় অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি দেখে সবাই তাঁর কথা শোনার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। মাত্র কয়েক মিনিট কথা বলেছেন তিনি। বই আর বউ সম্পর্কে চমৎকার বিশ্লেষনে বুঝিয়ে দিলেন বই আর বউ দুইই একজন লেখকের অনেক ভালো বন্ধু।
আড্ডার একটা উপলক্ষ ছিল বটে। ইতিমধ্যে সবাই জেনেছেন ‘প্রিয়জন আপনজন’ নামে একটি নতুন বই লিখেছেন বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর। তাঁর বর্নাঢ্য জীবনকে ঘিরে প্রিয়জন আপনজনের সংখ্যা অসংখ্য। কিন্তু প্রথম পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে খ্যাতিমান ১০০ জন ব্যক্তিকে নিয়ে ‘প্রিয়জন আপনজন’ নামের বইটি লিখেছেন তিনি। বইটির প্রকাশক দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা অন্যপ্রকাশ। বইটি প্রকাশের পিছনে অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলামের ভূমিকা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে বিশিষ্ট অভিনেতা, নির্মাতা, চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেনের ভূমিকাও স্মরণযোগ্য।

পাশাপাশি আরও স্মরণযোগ্য বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান ও সুঅভিনেত্রী আফসানা মিমির নাম। তাদের সবার পক্ষ থেকে আমীরুল ইসলাম এই আড্ডার আয়োজন করেন। কিন্তু এই আড্ডার অন্যতম প্রাণ শক্তি ছিলেন বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা, ফরিদুর রেজা সাগরের প্রিয়তমা স্ত্রী কণা রেজা। আড্ডার পুরোটা সময় জুড়ে সবার জন্য তাঁর আন্তরিক স্পর্শ, মমতা ছড়ানো আতিথিয়েতা সবাইকে অভিভূত করেছে। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কথাই সত্য হয়েছে- বই আর বউ সত্যিকার অর্থে একজন লেখকের লেখার প্রাণ শক্তি। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ভূমিকা বিশেষ ভাবে গুরুত্বপুর্ন। প্রিয়জন আপজন এর এই আড্ডাকে প্রাণবন্ত করে তুলতে লেখকের দুই আদুরে কন্যা মেঘনা ও মোহনার ভূমিকাও ছিল বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। মোহনার স্বামী ইমন আড্ডার মানুষ গুলোকে অনেক প্রাণ শক্তি যুগিয়েছেন।

আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, নাট্যব্যক্তিত্ব আফজাল হোসেন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, বিশিষ্ট উপস্থাপক ফরহাদুর রেজা প্রবাল, বিশিষ্ট রন্ধনবিদ কেকা ফেরদৌসী, লে. জেনারেল (অব) হাসান সারওয়ার্দি বীর বিক্রম, বিশিষ্ট উপস্থাপক ফারজানা ব্রাউনিয়া, বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস আরা, বিশিষ্ট উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী, তার স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব, প্রিয়জন এবিএস চৌধুরী ওয়াজেদ, রেহনুমা এস চৌধুরী রেহানা, আনন্দ আলোর সম্পাদক রেজানুর রহমান, অভিনেত্রী মাহবুবা রেজানুর, অন্য প্রকাশের পক্ষে আব্দুল্লাহ নাসের, কমল সহ অনেকে।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, সৃজনশীল আড্ডা প্রত্যেকের জীবনে ভালো কাজের ক্ষেত্রে গতির সঞ্চার করে। ব্যস্ত জীবনে অনেকেই আড্ডা দেয়ার সুযোগ পান না। কিন্তু সবারই উচিৎ সময় বের করে প্রিয়জনের সঙ্গে মন খুলে আড্ডা দেয়া।
ইমদাদুল হক মিলন বলেন, অনেকদিন পর একটা প্রাণবন্ত আড্ডা উপভোগ করলাম। এজন্য কনা রেজা ও আমীরুলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের বন্ধু সাগরের কল্যাণে আমরা বন্ধুরা অনেক ভালো কাজে প্রেরণা পেয়েছি। অনেক শুভকামনা সাগরের জন্য।
আড্ডায় গান গেয়ে শোনান বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী অনিমা রায়। কবিতা আবৃত্তি করেন দীপ্তি চৌধুরী। আড্ডা শেষে কনা রেজার রান্না করা ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের আয়োজন ভোজন পর্বে সবাই অংশ নেন।

প্রিয়জন আপনজন এর প্রকাশনাকে কেন্দ্র করে মূলত: এই আড্ডার আয়োজন করা হয়। বাস্তবেও প্রিয়জন আপনজনের মিলন মেলায় পরিণত হয় এই আড্ডা। যার মধ্যমনি ছিলেন সবার প্রিয় লেখক ফরিদুর রেজা সাগর। বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও মায়াই একজন মানুষের জীবনের প্রাণ শক্তি। কনা রেজা ও আমীরুল ইসলামের এই যৌথ আড্ডা আয়োজন সে কথাই প্রমাণ করেছে। অনেক শুভকামনা তাদের জন্য।
বিনোদন নিয়ে
লোড হচ্ছে...

‘আমরা যারা ৮০ সালে জন্মেছি, ৯০ দশকে বেড়ে উঠেছি, তাদের প্রেম বা ভালো লাগায় শাহরুখ খানের সিনেমার অনুপ্রেরণা থাকবেই।’ এমনটাই বললেন নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক,,,,

আজকের শাকিব খানকে দেখে বুঝার কি সুযোগ আছে তিনি অভিনয়ে প্রথম জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন? এলাম আর জয় করলাম এমন সৌভাগ্য পাননি তিনি........

খ্যাতির মোহ নয়, কাজটাই মন দিয়ে করতে চান শ্যামল মাওলা। প্রায় দেড় যুগের অভিনয়জীবনে তিনি বারবার নিজেকে নতুন করে গড়ার চেষ্টা করেছেন।

ভালোবাসার মহাসমুদ্রে কত কথা কত স্মৃতি! শাহজাহান সত্যিকার অর্থে প্রায় বাকরুদ্ধ। আবেগে থর থর করে কাঁপছে। তার দু’চোখে আনন্দ আর সুখের কান্না। জানতে চাইলাম-কেমন লাগছে শাহজাহান?

আবারও বড়পর্দায় জুটিবদ্ধ হয়ে আসছেন আফরান নিশো ও তমা মির্জা। ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘দাগি’র পর এবার এই জুটিকে নিয়ে নিজের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন ভিকি জাহেদ। নিশো-তমা জুটির তৃতীয় এই সিনেমাটির নাম হতে....

সম্প্রতি ‘হইচই’ এ মুক্তি পেয়েছে সালেহ সোবহান অনীমের তারকাবহুল ওয়েব সিরিজ ‘হেডলাইন’। সেই সিরিজে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন। হেডলাইন ও সম্প্রতি বিষয় নিয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা হয়......

বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা কাজী হায়াৎ দুঃখ প্রকাশ করে বললেন, এফডিসিতে সিনেমা নাই। তবে নির্বাচন আছে। শিল্পী সমিতির নির্বাচন বেশ জমজমাট হয়। এবারও তাই হয়েছে। আমাদের শিল্পী সংখ্যা অনেক,

রইদ: রহস্যের আঁধারে আলোর আল্পনা সাধুদের জীবনে পাগলীরা বারবার আসে। নানা রূপে আসে। এটা ঘটে এসেছে। ঘটছে। এবং এভাবে ঘটতে থাকবে। নিঃসঙ্গ আদমের জীবনে হাওয়া আসুক, আর হাওয়া খুঁজে নিক রইদকে।