Ad space

বড়পর্দায় আবারও নিশো-তমা জুটি

প্রকাশ:
26
Image

আবারও বড়পর্দায় জুটিবদ্ধ হয়ে আসছেন আফরান নিশো ও তমা মির্জা। ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘দাগি’র পর এবার এই জুটিকে নিয়ে নিজের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন ভিকি জাহেদ। নিশো-তমা জুটির তৃতীয় এই সিনেমাটির নাম হতে যাচ্ছে ‘খলনায়ক’।

‘খলনায়ক’ নামটি পরিচালক সমিতিতে এন্ট্রি করা হয়েছে। প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার বাড়ি ছিলো টাঙ্গাইল, তিনি ১৯৯৬ সালে ‘খলনায়ক’ নামে একটি সিনেমা করেছিলেন। প্রায় ৩০ বছর পর টাঙ্গাইল থেকে উঠে আসা বর্তমান প্রজন্মের তারকা অভিনেতা আফরান নিশো একই নামে সিনেমা করতে যাচ্ছেন!

এদিকে, ‘পুর্নজন্ম’ থেকে একাধিক ওয়েব কনটেন্ট করে পরিচিতি পেয়েছেন ভিকি জাহেদ। ‘খলনায়ক’ হতে যাচ্ছে এই নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্র।

জানা যায়, থ্রিলার ধাঁচের গল্পে নির্মিত হবে সিনেমাটি। শিগগিরি শুটিং শুরু হবে এবং আগামী অক্টোবরে দুর্গাপূজায় মুক্তির দেয়া হবে।

নাটকে তুমুলভাবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘সুড়ঙ্গ’র মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় আফরান নিশোর। সেই সিনেমায় নিশোর বিপরীতে ছিলেন তমা মির্জা।

ব্যবসায়িকভাবে সুড়ঙ্গ যেমন সফল হয়েছিল, আফরান নিশো-ও তেমনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ‘দাগি’ সিনেমাতেও তমার সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন।

এসএভিএফ আলফা আই এন্টারটেনমেন্টের প্রযোজনায় নির্মিত ‘খলনায়ক’-এর মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো দেখা যাবে নিশো-তমাকে।

প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘খলনায়ক’ নামে একটি সিনেমা আমরা করতে যাচ্ছি, কিন্তু কাস্টিং চূড়ান্ত হয়নি। তবে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, মেহজাবীনকে নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও তিন এই সিনেমায় নেই, ‘খলনায়ক’ সিনেমাতে থাকছেন আফরান নিশো এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা।

Image

কেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন?

যুক্তরাজ্যে টানা ১৫ মাসের বেশি সময়ের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গত বছরের এপ্রিলে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানকার হাসপাতাল ও মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় থেকে চলে তাঁর চিকিৎসা। গত বছরের আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের একটি বড় অংশ অপসারণ করলেও ঝুঁকির কারণে পুরো টিউমার সরাতে পারেনি। পরে চিকিৎসক জানান, তাঁর ব্রেন ক্যানসারের কথা।

অস্ত্রোপচারের শেষে শুরু হয় ইলিয়াস কাঞ্চনের দীর্ঘ সময়ের চিকিৎসা। প্রথম ধাপে টানা তিন মাস কেমোথেরাপি নেওয়ার পাশাপাশি চলে দ্বিতীয় ধাপে ওরাল থেরাপি। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহের চিকিৎসায় মধ্যে প্রায় ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে এই অভিনেতাকে। এরপর তিন মাসের প্রথম ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ করে তিনি দ্বিতীয় ধাপের আরও তিন মাসের ওরাল থেরাপি নিয়েছেন।

Image

তিন ধাপে সব মিলিয়ে মোট শ খানেক কেমোথেরাপি নিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

তবে এত দীর্ঘ চিকিৎসার পরও ইলিয়াস কাঞ্চনের শারীরিক অবস্থার আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। নিরাপদ সড়ক চাই- নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ বলেন, ‘দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দেশে বাইরে থাকতে থাকতে ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই অস্থির হয়ে উঠেছেন। দেশে ফেরার জন্য তাঁর মন টানছিল। পরিবারকেও বলছিলেন, তৃতীয় ধাপের থেরাপি যেহেতু শেষ হয়েছে, কয়েক মাসের জন্য দেশে ফিরতে চান। কাঞ্চন ভাইয়ের ইচ্ছাতে তাঁকে দেশে আনা হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। অবস্থার উন্নতিও খুব একটা নেই। তৃতীয় ধাপের থেরাপি গত ৩০ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর আবার তাঁর নতুন চিকিৎসা শুরু হবে। তার আগে দেশে কিছুদিন কাটাতে চাইছেন।’

লিটন এরশাদ জানান, কাঞ্চন ভাই এখন ধীরে ধীরে কথা বলতে পারেন, কিন্তু কথাবার্তায় জড়তা রয়েছে। অনেক সময় কয়েক মিনিট কথা বলার পর তিনি পুরো বাক্য শেষ করতে পারেন না। একটি পূর্ণ বাক্য শেষ করতেও কষ্ট হয় তাঁর। খাবারদাবার মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও নিয়মিত সময়মতো খাওয়ার অভ্যাসটিও আগের মতো নেই।

বিনোদন নিয়ে

লোড হচ্ছে...