
নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপত্যের নকশা করে যাচ্ছেন স্থপতি : রাফি মাহমুদ
রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

নগরভিত্তিক স্থাপত্যচর্চার পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের কাছে স্থাপত্যচর্চা পৌঁছে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি ইমরুল ইসলাম দুররানি। তিনি আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর স্থাপত্য বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “এড্রয়েট আর্কিটেক্টস লিমিটেড” নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পার্টনার হিসেবে আছেন স্থপতি সিনথিয়া জাহাঙ্গীর। ইতোমধ্যে তিনি বেশ কিছু নান্দনিক স্থাপনার নকশা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট(বাস্থই) এর মেম্বারশিপ অ্যাডভাইসরি কমিটির সদস্য। এবার শাহ্ সিমেন্ট নির্মাণে আমিতে এই স্থপতিকে নিয়ে প্রতিবেদন। লিখেছেন-মোহাম্মদ তারেক
স্থাপত্য ধারায় আমাদের যেমন রয়েছে সহস্র বছরের অতীত ঐতিহ্য, তেমনি আমি মনে করি বিশ্বায়নের এই যুগে আমাদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে স্থাপত্য কর্ম করা উচিত। কনস্ট্রাকশন টেকনোলজির যে উন্নতি প্রতিনিয়ত সাধিত হচ্ছে একজন স্থপতি হিসেবে আমি মনে করি তার সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়ত নিজেদের কাজকে ডেভেলপ করার প্রয়োজন রয়েছে। কথা গুলো বললেন, স্থপতি ইমরুল ইসলাম।
তাঁর গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদীতে। কিন্তু জন্ম ও বেড়ে ওঠা বরিশাল শহরে। ইমরুলের বাবার নাম জিয়াউল ইসলাম দুররানি। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মা আমেনা ইসলাম একজন প্রফেসর ছিলেন। স্থপতি ইমরুল ইসলাম পরিবারের একমাত্র সন্তান।
তিনি বরিশাল জেলা স্কুল থেকে এস এস সি পাশ করেন ২০০৪ সালে। ২০০৬ সালে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচ এস সি পাশ করে ভর্তি হন আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর স্থাপত্য বিভাগে। ২০১২ সালে তিনি আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পাশ করে বের হয়ে তিনি প্রথমে যোগ দেন “আইডেলিক ডিজাইন” প্রতিষ্ঠানে। সেখানে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে পাঁচ বছর কাজ করেন। তারপর স্থপতি ইমরুল যোগ দেন “বিটিআইতে”। সেখানে তিনি দীর্ঘ ছয় বছর কাজ করার পর নিজেই গড়ে তোলেন “এড্রয়েট আর্কিটেক্টস লিমিটেড” নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
শাহ্ সিমেন্ট-আনন্দ আলো যৌথ উদ্যোগ নিয়ে
লোড হচ্ছে...

রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

ইট-পাথরের খাঁচায় সবুজের ছোঁয়া এনে স্থাপত্যশিল্পে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ মোসাব্বির হাসান। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “স্বপ্ন বুনন স্থাপত্য” নামের একটি

সার্বজনীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধকে ধারণ করে নিজস্ব নকশা-দর্শন গড়ে তুলেছেন স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করা এই স্থপতি.....

স্থপতি জিসান ফুয়াদ চৌধুরী স্থাপত্য পেশা ও শিক্ষকতার সাথে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। তিনি আহ্সান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে এই স্থপতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে

আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে পরিবেশবান্ধব ,মানববান্ধব ও নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি ঋতুপর্ণা দে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “নৃ-ছায়া” নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে আলো, বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তিনি পড়াশোনা করেছেন খুলনা ....

জলবায়ু, সংস্কৃতি, ভূ প্রকৃতি ও মানুষের মমত্ববোধ নিয়ে স্থাপত্য শিল্পে সৃষ্টিশীল কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ নাহিদ হাসান, স্থপতি এস. এম. রুহুল আমিন ও স্থপতি অনিমেষ প্রভাকর দেবনাথ। তাঁরা তিনজন ভালো বন্ধু.........

বাড়ি কিংবা অফিস সাজাতে আলোর ভূমিকা এখন আর কেবল অন্ধকার দূর করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সঠিক আলোকসজ্জা যেমন ছোট ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে বড় দেখা যাবে,.........