
চলচ্চিত্রটি হিট হওয়ার পরেও পারিশ্রমিকের দেখা পায় নাই
বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের শুরু থেকেই কাজ করিয়ে অনেক শিল্পী ও নির্মাতাকে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। পরিচালকরা দেন না শিল্পীকে আর অনেক প্রযোজক বকেয়া রাখেন পরিচালকের পারিশ্রমিক...

দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) দীর্ঘদিন ধরেই শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি ব্যবসায়ী সমাজের সবচেয়ে বড় প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান। সরকারের সঙ্গে নীতি সংলাপ, বাজেট প্রস্তাব, বিনিয়োগ পরিবেশ, করনীতি, রপ্তানি, শিল্পায়ন কিংবা উদ্যোক্তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বড় প্রশ্নে এই সংগঠনের অবস্থান গুরুত্ব পায়। কিন্তু গত প্রায় দুই বছরে সেই প্রতিষ্ঠান কার্যত নির্বাচিত নেতৃত্বহীন। ব্যবসায়ীদের কণ্ঠস্বরও অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। এমন এক সময়ে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা এবং প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল হক।
নিয়োগটি শুধু ব্যক্তিগত স্বীকৃতি নয়; বরং এটি একটি বিশেষ বার্তাও বহন করে। দীর্ঘ বিরতির পর সরকার আবারও একজন বেসরকারি খাতের প্রতিনিধির হাতে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব তুলে দিল। এর আগে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রয়াত মনজুর আলী একই ধরনের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর আর কোনো উদ্যোক্তা এই দায়িত্ব পাননি। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এফবিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হলে প্রায় দুই বছর সংগঠনটির দায়িত্ব পালন করেন সরকারি কর্মকর্তারা। সেই অধ্যায়ের ইতি টেনে এবার সরকার ফিরে গেল বেসরকারি খাতের একজন প্রতিনিধির কাছে।
ফজলুল হক নিজেও মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি নীতিগত উপলব্ধি কাজ করেছে। তাঁর ভাষায়, এফবিসিসিআই ব্যবসায়ীদের সংগঠন। ব্যবসায়ীদের সমস্যা, প্রত্যাশা, হতাশা কিংবা সম্ভাবনা একজন উদ্যোক্তা যেমনভাবে বুঝবেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার পক্ষে তা সবসময় সম্ভব নয়। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান বাণিজ্যমন্ত্রীও এই যুক্তিকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। সরকারের প্রত্যাশা, একজন উদ্যোক্তা সংগঠনের ভেতরের বাস্তবতা বুঝে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের পথ খুঁজে বের করতে পারবেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের গল্পটি খুব সরল ছিল না। নিয়োগের আদেশ হাতে পাওয়ার পরও তিনি সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব নেননি। কয়েক দিন সময় নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ উদ্যোক্তা, শিল্পমালিক এবং ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এটি সম্মানের পাশাপাশি একটি কঠিন দায়িত্বও। শেষ পর্যন্ত সহকর্মীদের সম্মতির ভিত্তিতেই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর এই অবস্থান থেকেই বোঝা যায়, তিনি দায়িত্বটিকে ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ব্যবসায়ী সমাজের কাছে একটি জবাবদিহিমূলক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেওয়া প্রথম চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান টু দ্য পয়েন্টে বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে ফজলুল হক বড় কোনো প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করেননি। বরং তিনি শুরু থেকেই বাস্তবতার কথাই বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে একটি শব্দ-‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’।
তিনি মনে করেন, আগামী দিনের এফবিসিসিআই কেমন হবে, সেটি নির্ধারণ করবে আসন্ন নির্বাচন। কিন্তু তাঁর কাছে নির্বাচন মানে কেবল ভোটগ্রহণ নয়। নির্বাচন হলো নেতৃত্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, প্রশাসকের দায়িত্ব কাউকে নির্বাচিত করা নয়। প্রশাসকের দায়িত্ব হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে যোগ্য, গ্রহণযোগ্য এবং সৎ উদ্যোক্তারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
এই বক্তব্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের দীর্ঘদিনের সংকটের প্রতিফলনও রয়েছে। ব্যবসায়ী মহলে বহু বছর ধরেই অভিযোগ রয়েছে, সংগঠনটির নির্বাচন ক্রমেই ব্যয়বহুল হয়েছে। ভোটের রাজনীতি, অর্থের প্রভাব, গোষ্ঠীকেন্দ্রিক সমীকরণ এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতার বলয় নেতৃত্ব নির্বাচনের স্বাভাবিক ধারাকে দুর্বল করেছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা নির্বাচনমুখী রাজনীতি থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছেন।
ফজলুল হক এই বাস্তবতা অস্বীকার করেননি। বরং তিনি স্বীকার করেছেন, এই সংকট রাতারাতি তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে এটি গড়ে উঠেছে। ফলে মাত্র ১২০ দিনের দায়িত্বে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তবে তিনি অন্তত নির্বাচনী প্রক্রিয়াটিকে আরও পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা করতে চান।
তাঁর পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নির্বাচনী আচরণবিধিকে কার্যকর করা। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে অতিরিক্ত আপ্যায়ন, উপঢৌকন বিতরণ, বিপুল অর্থব্যয় কিংবা ভোটার প্রভাবিত করার সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, অর্থের প্রতিযোগিতা যত কমবে, যোগ্য মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ তত বাড়বে।
তবে নির্বাচনই তাঁর একমাত্র ভাবনা নয়। তিনি উপলব্ধি করেন, এফবিসিসিআইয়ের সামনে আরও বড় সংকট হলো আস্থার সংকট। দেশের ব্যবসায়ীরা এমন একটি সংগঠন চান, যা সরকারের সঙ্গে কার্যকরভাবে কথা বলতে পারে, ব্যবসায়ীদের সমস্যাকে নীতিনির্ধারণের টেবিলে তুলে ধরতে পারে এবং জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে একটি বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে পারে।
গত দুই বছরে সেই ভূমিকা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। অথচ এই সময়েই দেশের ব্যবসায়ীরা একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। শিল্পে গ্যাসের সংকট, বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদহার, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা উৎপাদন ও বিনিয়োগ-দুই ক্ষেত্রেই বড় চাপ তৈরি করেছে। ফজলুল হক মনে করেন, এই সময় ব্যবসায়ী সমাজের একটি শক্তিশালী প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান আরও বেশি প্রয়োজন ছিল।
তবে তিনি এখানেও সংযত। তিনি বলেন, প্রশাসক হিসেবে তাঁর মেয়াদ মাত্র ১২০ দিন। এই অল্প সময়ে ব্যবসায়ীদের সব সমস্যার সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া বাস্তবসম্মত হবে না। তাঁর মূল দায়িত্ব নির্বাচন আয়োজন। তবে সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়েও তিনি ব্যবসায়ী সমাজ এবং সরকারের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরির চেষ্টা করবেন।
তাঁর অর্থনৈতিক বিশ্লেষণও বাস্তববাদী। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকার এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিয়েছে, যখন অর্থনীতি বহু বছরের পুঞ্জীভূত সংকটের মুখোমুখি। গ্যাস ও জ্বালানির ঘাটতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, মূল্যস্ফীতি এবং আন্তর্জাতিক অস্থিরতা-সব মিলিয়ে ব্যবসার পরিবেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। তাঁর মতে, সরকার এই সংকট তৈরি করেনি; বরং সংকটের মধ্যেই দায়িত্ব নিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার, ব্যবসায়ী সমাজ এবং প্রশাসন-তিন পক্ষকেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ করে আমলাতন্ত্র নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়ন নির্ভর করে প্রশাসনের ওপর। যদি প্রশাসন আন্তরিক, দক্ষ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করে, তাহলে সরকারের সদিচ্ছাও কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না। বর্তমান বাস্তবতায় সরকারি কর্মকর্তাদের ইতিবাচক ভূমিকা তাই আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সাক্ষাৎকারজুড়ে ফজলুল হকের ব্যক্তিগত দর্শনেরও একটি স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়। তিনি নিজেকে নিখুঁত মানুষ দাবি করেন না। কিন্তু একটি বিষয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাস রয়েছে। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি নীতি ও সততার প্রশ্নে আপস না করার চেষ্টা করেছেন। নতুন দায়িত্বেও সেই অবস্থান ধরে রাখতে চান। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক দিন পর তিনি বড় কোনো ঘোষণা দেননি। বরং বলেছেন, সময়ই বলে দেবে তিনি কতটা সফল হবেন। এই সংযমই হয়তো তাঁর বক্তব্যকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। ‘প্রশাসক’ শব্দটির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে তাঁর অস্বস্তি হয়। কারণ, একজন উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি সব সময় ব্যবসা পরিচালনার পরিচয়েই পরিচিত ছিলেন। এমনকি পরিবারের অনেক সদস্যকেও তাঁকে বুঝিয়ে বলতে হয়েছে প্রশাসকের দায়িত্ব আসলে কী। তাই সুযোগ পেলেই তিনি নিজেকে ‘অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত’ বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সবশেষে তিনি যে কথাটি বলেছেন, সেটিই সম্ভবত তাঁর পুরো দায়িত্ববোধের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত প্রকাশ। দায়িত্ব নেওয়ার দিন এফবিসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, ১২০ দিন পরে যখন তিনি দায়িত্ব শেষ করে বের হবেন, তখনও যেন একটি ফুলের তোড়া হাতে নিয়েই বিদায় নিতে পারেন।
এই প্রত্যাশা কেবল আনুষ্ঠানিক বিদায়ের নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে একটি দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি। তিনি চান, দায়িত্ব শেষে অন্তত এটুকু যেন বলা যায়-তিনি কোনো বিতর্ক নয়, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং আস্থা পুনর্গঠনের ভিত্তি রেখে যেতে পেরেছেন।
সামনের চার মাস তাই শুধু একজন প্রশাসকের মেয়াদ নয়; এটি এফবিসিসিআইয়ের জন্যও একটি পরীক্ষা। ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় সংগঠনটি কি আবারও নির্বাচিত, গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর নেতৃত্ব ফিরে পাবে? নাকি পুরোনো বিতর্কই নতুন রূপে ফিরে আসবে? সেই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে অনেকাংশেই ফজলুল হকের এই স্বল্প সময়ের নেতৃত্বের ওপর।
খবর প্রতিদিন নিয়ে
লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের শুরু থেকেই কাজ করিয়ে অনেক শিল্পী ও নির্মাতাকে পারিশ্রমিক না দেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। পরিচালকরা দেন না শিল্পীকে আর অনেক প্রযোজক বকেয়া রাখেন পরিচালকের পারিশ্রমিক...

আফজাল হোসেন ও আফসানা মিমি জুটিবদ্ধ হয়ে একটি ওটিটি কনটেন্টে অভিনয় করেছেন। বয়সের সঙ্গে সীমিত হয়ে আসে মানুষের চাহিদা, কমে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা; অন্য রকম হয়ে ওঠে হারানোর ভয়। এর সঙ্গে ,,,

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘বিহান’। হেমন্ত সাদীকের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন দিলরুবা দোয়েল। বিহান নারীপ্রধান গল্প। নারীদের বিভিন্ন সমস্যা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। অনেকে হয়তো ভাবেন,

আলোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন আদালত। তিশা একজন নারী এবং শাড়ির দাম কম থাকায়,,,,,

শিশু কিশোরদের নিয়ে চ্যানেল আইতে এক যোগে তিনটি অনুষ্ঠান অর্থাৎ ৩টি রিয়েলিটি শোয়ের কার্যক্রম চলমান। একটি হল বহুল আলোচিত ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ। দ্বিতীয়টি শাপলাকুড়ি ২০২৬,,,,,,

প্রতিথযশা চলচ্চিত্র পরিচালক ও দেশের প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকার সম্পাদক ফজলুল হকের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের ...

নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রায় ১০ বছরের সংসার ছিল সোহানা সাবার। সেই সংসারে তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে.....

দেশের এভিয়েশন খাতে বড় ধরনের সম্প্রসারণের পথে এগোচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। আগামী দিনে বহরে নতুন করে ২১টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার.........