
মঞ্চই কি প্রকৃত অভিনেতার জন্মভূমি
ক্যামেরার সামনে কয়েক সেকেন্ডের একটি দৃশ্য। প্রয়োজন হলে বারবার শট নেওয়া যায়, সংলাপ ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ থাকে, সম্পাদনার মাধ্যমে অনেক দুর্বলতাও ঢেকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু মঞ্চে?

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান দলের আইনপ্রণেতা চিপ রয় সম্প্রতি এই বিতর্কিত বিলটি উত্থাপন করেন।‘মামদানি আইন’ নামের এই বিলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও নাগরিকত্ব আইনে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটিতে বলা হয়েছে, কোনো অনাগরিক বা অভিবাসী যদি সমাজতান্ত্রিক দল, কমিউনিস্ট পার্টি, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি অথবা কোনো ইসলামি কট্টরপন্থী দলের সদস্য হন বা এসব মতাদর্শের প্রচার করেন, তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। একই সঙ্গে তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করা এবং যাদের নাগরিকত্ব আছে তা বাতিল করারও বিধান রাখা হয়েছে এই বিলে।সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রস্তাবিত এই আইনে বলা হয়েছে—এর অধীনে নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, বিতাড়ন বা নাগরিকত্ব বাতিলের মতো সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন আদালতে আইনি লড়াই বা আবেদন করার সুযোগ থাকবে না।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সদস্য জোহরান মামদানির নামানুসারে এই বিলের নামকরণ করা হয়েছে। জোহরান মামদানি রাজনৈতিকভাবে ‘ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ দলের একজন সদস্য।
রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা চিপ রয়ের দপ্তরের দাবি, এ ধরনের মার্ক্সবাদী মতাদর্শীদের উপস্থিতির কারণেই এমন কঠোর আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। বিলটির পূর্ণাঙ্গ নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেজারস অ্যাগেইনস্ট মার্ক্সিজম’স ডেঞ্জারাস অ্যাডহেরেন্টস অ্যান্ড নক্সিয়াস ইসলামিস্টস অ্যাক্ট’, যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ‘মামদানি আইন’।বিলটি উত্থাপনের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চিপ রয় বলেন, “যারা আমাদের মূল্যবোধের বিরোধী, তাদের কেন আমরা দেশে প্রবেশের সুযোগ দেব? গত কয়েক দশক ধরে আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এমন বিপুলসংখ্যক মানুষকে আনা হয়েছে, যা আমেরিকান
মূল্যবোধের পরিপন্থী শত্রুভাবাপন্ন মতাদর্শের বিস্তার ঘটিয়েছে।” তিনি মার্ক্সবাদী ও ইসলামপন্থীদের এই মেলবন্ধনকে ‘লাল-সবুজ জোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা মোকাবিলার আহ্বান জানান।
তবে এই বিল উত্থাপনের পর যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মহল মনে করছে, এই প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে নিশ্চিত করা বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। বিলটি আইনে পরিণত হলে তা অভিবাসীদের জন্য এক চরম বৈরী পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
শীর্ষ কাহিনী নিয়ে
লোড হচ্ছে...

ক্যামেরার সামনে কয়েক সেকেন্ডের একটি দৃশ্য। প্রয়োজন হলে বারবার শট নেওয়া যায়, সংলাপ ভুল হলে সংশোধনের সুযোগ থাকে, সম্পাদনার মাধ্যমে অনেক দুর্বলতাও ঢেকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু মঞ্চে?

একটি বইয়ের দুটি কাভার। একটিতে ইমদাদুল হক মিলনের ছবি। অন্যটিতে আফজাল হোসেনের ছবি। বইয়ের নাম, যুবকদ্বয়। লেখালেখির শুরুর দিকে দুই বন্ধু একটি বইয়ের কাভারে এভাবেই নিজেদেরকে হাজির করেছিলেন.....

সুন্দরবনের অভিভাবক বাঘ। আর বাঘের অভিভাবক দেশের ১৮ কোটি মানুষ। বাঘ বাঁচলে সুন্দরবন বাঁচবে। সুন্দরবন বাঁচলে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ বাঁচবে। আর তাই বাঘ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকৃতি

ক্যামেরা যখন তুলির মতো এখন এই কথাটা সহজেই বলা যায়। এখন সবার হাতেই একটি করে ক্যামেরা থাকে। মোবাইল ফোনের কারণে এখন ছবি তোলা খুবই সহজ হয়ে গেছে। ছয় বছরের বাচ্চাও দারুণ করে ছবি তুলতে পারে...

আমাদের দেশে ঈদ উৎসবই বড় উৎসব। আড়াই মাসের ব্যবধানে দুটি ঈদ। ঈদুল ফিতর। ঈদুল আজহা। রমজানের একমাস সিয়াম সাধনার পর, অর্থাৎ একমাস রোজা রাখার পর.....

প্রিয়বন্ধু আফজাল হোসেনের পাশেই বসেছেন দেশখ্যাত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ইমদাদুল হক মিলন। প্রিয়বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে পরশ দিচ্ছিলেন আর শুনছিলেন দু’জনেরই .....

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে এআই প্রযুক্তি। এটা একটা পরিবর্তন। পকেটে টাকা না নিয়ে বাজারে গেলেন। প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী কিনবেন কি করে?

বাংলাদেশকে একসময় বিশ্বের দরিদ্র ও সহায়তানির্ভর দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা হতো। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করা দেশটি আজ উন্নয়ন, দারিদ্র্য.......