
একপাতা,নায়ক মান্না কেন কষ্ট দিয়েছিলেন কাজী হায়াৎকে
অহংকার মানুষকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করায়, একজনের অহংকার অন্যজনকে কিভাবে আহত করে তার একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক......

মনিরা মিঠু। এক নামেই যার ব্যাপক পরিচিতি। টিভি, চলচ্চিত্র, ওটিটি সব মাধ্যমেই তার সরব উপস্থিতি দর্শকদের বেশ আগ্রহের বিষয়। মা চরিত্রে অনবদ্য তিনি। একই সময়ে দুটি ধারাবাহিক নাটকে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। একটির নাম ‘এটা আমাদেরই গল্প’ অন্যটির নাম ‘দেনা পাওনা’। এটা আমাদেরই গল্প এর প্রচার কার্যক্রম শেষ। দেনা পাওনা চলছে। দুটি সিরিয়ালেই মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সম্প্রতি ‘মা’ দিবসে একজন মা হিসেবেই প্রচার মাধ্যমে কথা বলেছেন। তারই চুম্বক অংশ আনন্দ আলোর পাঠকদের জন্য।
বহু বছর ধরে অভিনয় করছেন। মা হিসেবে শুরুতে কোনও চ্যালেঞ্জ ছিল কী? প্রশ্ন শুনে মিঠু বললেন, ‘হ্যাঁ, অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল শুরুতে। কারণ তখন আমার বাচ্চারা ছোট ছিল, তাই অনেক প্রতিকূল অবস্থার মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে। দেখা গেছে, বাচ্চা অনেক সময় কান্নাকাটি করেছে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আমার ছোট ছেলের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। অনেক সময় তাকে সেটে নিয়ে আসতে হয়েছে। এমনও হয়েছে, কোনও উপায় নেই তাকে নিয়ে আসা ছাড়া, কারণ সে একা বাসায় থাকবে আমি না থাকলে। সত্যি বলতে কি যেকোনও পেশার বাচ্চার মায়েদের কষ্ট হবেই। মায়ের সংগ্রাম থেকেই যায়।’
অনেক অফিসে তো ডে-কেয়ার থাকে, কিন্তু মিডিয়ায় সেই সুবিধা নেই। মায়েরা যখন বাধ্য হয়ে বাচ্চাদের নিয়ে শুটিংয়ে আসেন, তখন সেখানকার পরিবেশ কী তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হয়? প্রশ্নের জবাবে মিঠু বললেন- ‘সহজ করে যদি বলি উত্তর হবে- না। তবে সবসময় এমন ছিল না। আগে পরিবেশটা অনেক আপন-আপন ছিল। যেমন- হাউসফুল নাটকের কথাই যদি বলি। চমৎকার পরিবেশ ছিল। আমাদের অনেক আপন ছিল রেদওয়ান রনি আর ইফতেখার আহমেদ ফামির হাউসফুল নাটকের সেট। তখনকার সময় আমাদের সবার সম্পর্ক, বন্ডিং সবকিছু অনেকটা আন্তরিক ছিল, তখন সম্ভব হয়েছে। আর এখন দেখি অনেক অনেক মায়েরা বাচ্চা নিয়ে আসে, কেউ সেটা অপছন্দ করে তা-ও না, আবার বাচ্চাটার খুব একটা আরাম হয় তা-ও কিন্তু না।’

মা হিসেবে বিশেষ কোনো স্মৃতি উল্লেখ করা সম্ভব? প্রশ্নের উত্তরে মনিরা মিঠু বললেন- ‘আমি এটা খুব বিশ্বাস করি যে, পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষের মা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মা। একটা পরিবারে দেখা যায় যে বাবা মারা গেছেন মা যে কোনোভাবে সেই পরিবারটাকে ধরে রাখেন। কিন্তু একটা বাবার পক্ষে আসলে সবকিছু সামাল দেয়া সম্ভব হয় না। যতই আমরা নারী-পুরুষ সমান অধিকার বলি না কেন কিছু কিছু জিনিস শুধু নারীরাই পারে আর কিছু কিছু জিনিস শুধুমাত্র পুরুষরাই পারে। তেমনি সন্তানের জন্য মায়ের অভাব কোনো কিছু দিয়েই পূরণ হয় না।’
‘মায়ের স্মৃতি নিয়ে যদি বলি তাহলে আমার ছেলের বউয়ের কথা বলব। যখন তার সন্তান হলো সিজারিয়ানের মাধ্যমে, তখন বেশকিছু জটিলতা দেখা দেয়। মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে হয়েছে, চার মাসের সেই স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। আমাদের পুরো পরিবারের জন্য সেটা ছিল খুব বেদনাদায়ক একটা অধ্যায়। মেয়েটার তিনবার অপারেশন করতে হয়েছে। তখন আমার নিজের কথা মনে হতো, যে আমি তো মা ছাড়া বড় হয়েছি। আমার পরিবারে যদি আরেকটা শিশু মা ছাড়া থাকে এটা কীভাবে সহ্য করব? তবে, আলহামদুলিল্লাহ এখন সব ঠিক আছে। তবে সেই সময় আমি কখনো ভুলব না।’
সম্প্রতি আপনার অভিনীত ‘এটা আমাদের গল্প’ ধারাবাহিকটি শেষ হলো। এই সিরিয়ালটি নিয়ে আপনার পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? মিঠু বললেন- ‘তারা বরাবরই আমার অভিনয়কে অ্যাপ্রিশিয়েট করে, আমিও খুব খুশি হয়। তবে, তারা কিন্তু আমার অভিনয়ের সমালোচনাও করে। এই সিরিয়ালের ক্ষেত্রে তাদের কাছ থেকে প্রশংসা পেয়েছি, আবার কিছু বিষয় তারা আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। শিল্পীদের নাকি তৃষ্ণা মেটে না। তবে আমার কোনও তৃষ্ণা নেই। তৃষ্ণা অনেক আগেই মিটে গেছে। আমি মনে করি আমার যোগ্যতার বাইরে আমি অনেক ভালো ভালো কাজ করেছি। শিল্পী জীবনে অতৃপ্তি নামে কোনও বিষয় নেই।’
মায়ের দায়িত্ব কী কখনো শেষ হয়... প্রশ্ন শুনে মৃদু হেসে মিঠু বললেন,
‘মৃত্যুকাল পর্যন্ত মায়ের দায়িত্ব থাকে। মা যখন মৃত্যুর মুখে থাকে তখনও সে চিন্তা করে তার সন্তানটা ভালো থাকবে কি না... মায়ের মতো আপন কেহ নেই। মায়ের মতো নিঃস্বার্থ পৃথিবীতে আর কেউ নেই। মায়ের মতো আপনজন কেউ নেই। মায়ের মতো মায়াময় কেউ নেই। এটা একদম চরম বাস্তব সত্য।’
জীবনযাপন নিয়ে
লোড হচ্ছে...

অহংকার মানুষকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করায়, একজনের অহংকার অন্যজনকে কিভাবে আহত করে তার একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক......

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা কাজী জেসিন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান.....

ময়ূরপঙ্খী এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল একাডেমীর উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে ‘২য় আইপা অ্যাওয়ার্ড’ (ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যাচিভার) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে । স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশ-বিদেশের,,,,

আনন্দ আলো: কেমন আছেন? দীপ্তি চৌধুরী: ভালো আছি। আনন্দ আলো: জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। কেমন চলছে? দীপ্তি চৌধুরী: প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো। মাঝে মাঝে মনে হয় অনন্তকাল এরকম একসাথে আছি; কখনো আবার মনে হয় এই তো সেদিন এক হলাম। আনন্দ আলো: বিয়ে আপনার কাছে কি?

সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তসলিম উদ্দিন খান বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পেশাজীবী। দীর্ঘ সময় ধরে....

বাংলাদেশের করপোরেট জগতে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তারা সময়, সমাজ, অর্থনীতি এবং ভোক্তা মনস্তত্বকেও গুরুত্বপুর্ন করে তোলার ক্ষেত্রেও ইগলুর প্রধান

ইচ্ছে ঘুড়ি বলে একটা কথা আছে। নাটাই আমার হাতে। আকাশে উড়িয়ে দিলাম ঘুড়ি। এই আনন্দ একাও করা যায়। আবার অন্যদের নিয়েও করা যায়। তবে একার আনন্দের চেয়ে বন্ধু, শুভাকাঙ্খী, স্বজনদের নিয়ে আনন্দ করার মজাই আলাদা

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা অতিব জরুরি। এজন্য স্থবির হয়ে পড়া আবাসন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা অত্যাবশ্যক বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও অর্থনীতিবিদরা