
এবার মিস ওয়ার্ল্ডের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সামানজার
ওর নাম সামানজার। নামটাই যেন অন্যরকম। ৭৫তম মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশের প্রতনিধিত্ব করবেন তিনি। আসুন দেখি কে এই সামানজার।‘ছোটবেলা থেকেই সুন্দরী প্রতিযোগিতা দেখতে ভালো লাগত......

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এমন একটা সময় অতিক্রম করছে, যখন প্রতিটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সামনে একই সঙ্গে সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ উপস্থিত। খেলাপি ঋণের চাপ, মূলধন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, গ্রাহকের পরিবর্তিত চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক মানের সুশাসনের প্রত্যাশা সব মিলিয়ে একটি ব্যাংক পরিচালনা এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জটিল। এই পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় যেসব ব্যাংকার দূরদর্শিতা, পেশাদারিত্ব এবং নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেদের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন, তাঁদের অন্যতম ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান ও. রশিদ।
দীর্ঘ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা, কৌশলগত পরিকল্পনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা এবং সুশাসনের প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি ইবিএলকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বের মূল দর্শন হলো—একটি ব্যাংকের প্রকৃত শক্তি শুধু তার মুনাফা বা সম্পদের পরিমাণে নয়; বরং তার আর্থিক শৃঙ্খলা, জবাবদিহি, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং গ্রাহকের আস্থায় নিহিত।
হাসান ও. রশিদের নেতৃত্বেই ইবিএল টানা চতুর্থবারের মতো ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি) থেকে দীর্ঘমেয়াদে সর্বোচ্চ ‘ট্রিপল এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’ ক্রেডিট রেটিং অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। কারণ এই রেটিং শুধু একটি আর্থিক সূচক নয়; বরং একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা, সুশাসন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মূল্যায়ন। পেশাগত জীবনে তিনি সবসময় টেকসই প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। দ্রুত সম্প্রসারণের পরিবর্তে তিনি বিশ্বাস করেন নিয়ন্ত্রিত ও মানসম্মত প্রবৃদ্ধিতে। তাঁর দৃষ্টিতে একটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার সম্পদের গুণগত মান, শক্তিশালী মূলধন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির ওপর। এ কারণেই তাঁর নেতৃত্বে ইবিএল শুধু ব্যবসা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেয়নি; বরং একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার কাজও করেছে।
আর্থিক শক্তি ও সুশাসনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি ব্যাংক
টানা চারবার সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং অর্জনের পর হাসান ও. রশিদ বলেন, একটি ব্যাংকের ‘ট্রিপল এ’ ক্রেডিট রেটিংয়ের মূল ভিত্তি হচ্ছে আর্থিক শক্তি এবং সুশাসন। তবে তাঁর মতে, এই দুই ভিত্তিকে কার্যকর করে টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, স্বল্প ব্যয়ের আমানত সংগ্রহ, উন্নত সম্পদ পোর্টফোলিও, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত প্রভিশন সংরক্ষণ, বহুমাত্রিক তহবিলের উৎস এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা।
তিনি মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একদিনে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে না। বছরের পর বছর ধরে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ফলেই একটি ব্যাংক বাজারে আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠে। ইবিএলের অর্জিত সর্বোচ্চ রেটিং সেই দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক চর্চারই প্রতিফলন।
আন্তর্জাতিকভাবে ক্রেডিট রেটিং বিনিয়োগকারী, আমানতকারী এবং বৈদেশিক অংশীদারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ রেটিং ধরে রাখতে পারা একটি ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দেয়। হাসান ও. রশিদের মতে, সুশাসন কেবল নীতিমালার বিষয় নয়; বরং প্রতিদিনের কার্যক্রমে তার বাস্তব প্রয়োগ থাকতে হয়। সেই বাস্তব প্রয়োগই প্রতিষ্ঠানের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি করে।
চ্যালেঞ্জের মধ্যেও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য
বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সর্বোচ্চ রেটিং ধরে রাখাকে তিনি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, ব্যাংকগুলো এখন পর্যাপ্ত আমানত সংগ্রহ করতে পারলেও সেই অর্থ লাভজনক খাতে বিনিয়োগের সুযোগ আগের তুলনায় কমে গেছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় প্রত্যাশিত ব্যবসা সম্প্রসারণ সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের আয় কমে যাওয়ায় বিকল্প আয়ের উৎসও সংকুচিত হয়েছে।

এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মান অনুযায়ী প্রভিশন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা এবং ব্যাসেল-৩ কাঠামোর আলোকে পর্যাপ্ত মূলধন ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে। তাঁর মতে, বর্তমান বাস্তবতায় মূলধন সংগ্রহ যেমন কঠিন, তেমনি একই সঙ্গে প্রবৃদ্ধি ও মুনাফার ভারসাম্য বজায় রাখাও সহজ নয়। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, দীর্ঘমেয়াদে সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক শৃঙ্খলাই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর পথ।
আস্থাই সবচেয়ে বড় সম্পদ
হাসান ও. রশিদের মতে, ব্যাংকিং ব্যবসার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ টাকা নয়, বরং গ্রাহকের আস্থা। একটি ব্যাংক তখনই সফল, যখন একজন গ্রাহক নিশ্চিন্তে তাঁর কষ্টার্জিত সঞ্চয় সেই প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইবিএল কখনো গ্রাহকের পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। এমনকি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও কোনো বৈদেশিক অর্থপ্রদানে ব্যাংকটি কখনো খেলাপি হয়নি। পর্যাপ্ত তারল্য সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনাই এই ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করেছে। তাঁর মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা বিজ্ঞাপন দিয়ে তৈরি করা যায় না; এটি তৈরি হয় প্রতিশ্রুতি রক্ষা, আর্থিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সেবার মাধ্যমে।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আপসহীন অবস্থান
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ দীর্ঘদিন ধরেই বড় উদ্বেগের বিষয়। এ বাস্তবতায় ইবিএলের তুলনামূলক নি¤œ খেলাপি ঋণের হারকে তিনি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির ফল বলে মনে করেন।
তাঁর মতে, শক্তিশালী ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, কার্যকর ক্রেডিট কমিটি, কর্মকর্তাদের সুস্পষ্ট জবাবদিহি এবং চাপমুক্ত ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া ছাড়া একটি সুস্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে ওঠা সম্ভব নয়।
তিনি বিশ্বাস করেন, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে পেশাদার মূল্যায়নের বিকল্প নেই। সাময়িক ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বিতরণ ভবিষ্যতে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। তাই তিনি বরাবরই গুণগত ঋণ প্রবৃদ্ধিকে সংখ্যাগত প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের প্রস্তুতি
ব্যাংকিং খাত দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনকে সামনে রেখেই ইবিএল একটি সমন্বিত ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। হাসান ও. রশিদের মতে, ডিজিটাল রূপান্তর মানে শুধু মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন ব্যাংকিং চালু করা নয়। এটি একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া, যেখানে প্রসেস অটোমেশন, রোবোটিক প্রসেস অটোমেশন, তথ্য বিশ্লেষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং সাইবার নিরাপত্তা একই কাঠামোর অংশ।
তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতের ব্যাংকিং হবে তথ্যনির্ভর, দ্রুত, নিরাপদ এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক। যে প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিকে ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ করতে পারবে, তারাই আগামী দিনের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।
বিশ্বব্যাপী সাইবার ঝুঁকি বাড়তে থাকায় তিনি নিরাপত্তা অবকাঠামোকে প্রযুক্তি বিনিয়োগের সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। কারণ একটি সাইবার হামলা শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, গ্রাহকের আস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের সুনামকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
টেকসই প্রবৃদ্ধির কৌশল
হাসান ও. রশিদের নেতৃত্বে ইবিএলের কৌশল শুধু বড় করপোরেট গ্রাহকদের ঘিরে নয়; বরং বহুমাত্রিক গ্রাহকভিত্তি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। খুচরা ব্যাংকিং, সিএমএসএমই, ইসলামি ব্যাংকিং এবং ক্রেডিট কার্ড খাতকে তিনি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখেন।
তাঁর মতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করা মানে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা। একই সঙ্গে খুচরা গ্রাহকভিত্তি সম্প্রসারণ ব্যাংকের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল আমানতের উৎস তৈরি করে।
এই কারণেই আগামী পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনায় টেকসই ব্যালান্স শিট প্রবৃদ্ধি, নি¤œ খেলাপি ঋণ বজায় রাখা, প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং বাজার অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি সমান গুরুত্ব পেয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর ভাবনা
হাসান ও. রশিদ মনে করেন, একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু ব্যাংকগুলোর প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।
নীতিনির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত গ্রহণ, বাজারভিত্তিক সুদহার, কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং পেশাদার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা গেলে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত আন্তর্জাতিক মানে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে তিনি মনে করেন।
সব মিলিয়ে হাসান ও. রশিদের নেতৃত্বের দর্শন একটি বিষয় স্পষ্ট করে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য ব্যাংককে শুধু বড় হলেই চলবে না, হতে হবে শক্তিশালী, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত। তাঁর নেতৃত্বে ইবিএলের টানা চারবার ‘ট্রিপল এ’ ক্রেডিট রেটিং অর্জন সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন। পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক বাস্তবতায় তিনি এমন এক ব্যাংকার, যিনি প্রবৃদ্ধির সঙ্গে দায়িত্বশীলতা, উদ্ভাবনের সঙ্গে নিরাপত্তা এবং ব্যবসার সঙ্গে সুশাসনের সমন্বয় ঘটিয়ে একটি আধুনিক ব্যাংকিং সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।
এই নগরে নিয়ে
লোড হচ্ছে...

ওর নাম সামানজার। নামটাই যেন অন্যরকম। ৭৫তম মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশের প্রতনিধিত্ব করবেন তিনি। আসুন দেখি কে এই সামানজার।‘ছোটবেলা থেকেই সুন্দরী প্রতিযোগিতা দেখতে ভালো লাগত......

একজন উদ্যোক্তার পরিচয় কেবল তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকে না। সমাজ, রাষ্ট্র, সংস্কৃতি, ক্রীড়া কিংবা জনকল্যাণের ক্ষেত্রেও একজন সফল মানুষের চিন্তা ও ভূমিকা তাঁর অবস্থানকে আলাদা মাত্রা দেয়....

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তরুণ জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিপুলসংখ্যক

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফুটেনি। যান্ত্রিক শহর ঢাকার হাতিরঝিলে এক অন্যরকম উৎসবমুখরতা। ভোরের স্নিগ্ধ বাতাসে হাজারো মানুষের পদচারণা। কিন্তু এটি আর দশটা সাধারণ ছুটির দিনের সকালের রান বা ফিটনেস.....

পুর্ণিমা, এই তিনটি অক্ষরই তাঁর পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট। দেশের ব্যাপক জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা, সেরা উপস্থাপক। সবচেয়ে বড় কথা, একজন ভালো মানুষ। ভালো বন্ধু। ভালো মা। বন্ধুসম স্ত্রী......

করপোরেট নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা যখন জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে মিলিত হয়, তখন তা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। সেই পথেই এগিয়েছেন সায়েফ উদ্দিন নাসির....

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলার পেছনে যেসব উদ্যোক্তা দীর্ঘ সময় ধরে অবদান রেখে....

রাশিয়ান জনকূটনীতির ১০০তম বার্ষিকী এবং বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে রাজধানীর রবীন্দ্রসরোবরে আয়োজন করা হয়েছে ‘হারমোনি অব ফ্রেন্ডশিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের।