Ad space

ব্যাংকিং ও শিল্প খাতে দূরদর্শী নেতৃত্বের এক নাম: শওকত আলী চৌধুরী

প্রকাশ:
16
Image

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলার পেছনে যেসব উদ্যোক্তা দীর্ঘ সময় ধরে অবদান রেখে চলেছেন, তাঁদের মধ্যে শওকত আলী চৌধুরী একটি সুপরিচিত নাম। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকিং ও শিল্প খাতের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা তাকে দেশের করপোরেট অঙ্গনের অন্যতম অভিজ্ঞ ব্যবসায়িক নেতৃত্বে পরিণত করেছে। দূরদর্শী পরিকল্পনা, বহুমাত্রিক বিনিয়োগ, করপোরেট সুশাসনের প্রতি অঙ্গীকার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির দর্শন—এই চারটি বৈশিষ্ট্য তার পেশাগত পরিচয়কে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে শওকত আলী চৌধুরীর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই। ১৯৯৩ সালে ব্যাংকটি যাত্রা শুরু করার সময় তিনি প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকদের একজন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে টানা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে তিনি ব্যাংকটির নীতিনির্ধারণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এত দীর্ঘ সময় একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা খুব বেশি ব্যক্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় না। এই ধারাবাহিকতাই তার অভিজ্ঞতা, স্থিতিশীল নেতৃত্ব এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের পরিচয় বহন করে।

২০১৮ সালে তিনি প্রথমবার ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি ব্যাংকটির নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন। চেয়ারম্যান হিসেবে তার দায়িত্ব কেবল পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতিত্ব করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার নীতিমালা প্রণয়ন, করপোরেট গভর্ন্যান্স শক্তিশালী করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণে নীতিগত নেতৃত্ব প্রদানও এর অন্তর্ভুক্ত। তার নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের করপোরেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা শওকত আলী চৌধুরী ব্যবসায়িক জীবনের শুরু থেকেই বিশ্বাস করতেন যে, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায়। স্বল্পমেয়াদি মুনাফার পরিবর্তে টেকসই প্রবৃদ্ধি, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাই একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। এই দর্শনই পরবর্তী সময়ে তার ব্যবসায়িক কর্মকা-ের প্রতিটি স্তরে প্রতিফলিত হয়েছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকের যাত্রাপথ বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যখন দেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাত নতুন সম্ভাবনার দিকে এগোচ্ছিল, তখন ইস্টার্ন ব্যাংকও আধুনিক ব্যাংকিং ধারণা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করপোরেট ব্যাংকিং, এসএমই অর্থায়ন, বৈদেশিক বাণিজ্য, ট্রেজারি কার্যক্রম, খুচরা ব্যাংকিং এবং ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। এই দীর্ঘ পথচলায় পরিচালনা পর্ষদের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং পরবর্তীতে চেয়ারম্যান হিসেবে শওকত আলী চৌধুরীর ভূমিকা ব্যাংকটির কৌশলগত বিকাশের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং খাতে গত এক দশকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে প্রযুক্তির মাধ্যমে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার নিরাপত্তা, মোবাইল ব্যাংকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং স্বয়ংক্রিয় আর্থিক সেবার যুগে একটি ব্যাংকের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নির্ভর করছে তার প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির ওপর। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই ইস্টার্ন ব্যাংক ডিজিটাল রূপান্তরকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে। গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও সহজ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উন্নয়ন এবং আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান হিসেবে শওকত আলী চৌধুরী এই রূপান্তরের নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তবে শওকত আলী চৌধুরীর পরিচয় কেবল ব্যাংকিংয়ের গ-িতে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি এমন একজন উদ্যোক্তা, যার ব্যবসায়িক কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত। ইস্টার্ন ব্যাংকের অফিসিয়াল প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি একটি বহুমুখী শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যার কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে শিপ রিসাইক্লিং, চা শিল্প, সিরামিক উৎপাদন, রিয়েল এস্টেট, এজেন্সি ব্যবসা, প্রকৌশল সেবা, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো, বাণিজ্যিক ব্যাংকিং, বীমা এবং সিকিউরিটিজ ব্যবসায়। পূর্ববর্তী বার্ষিক প্রতিবেদনে তৈরি পোশাক শিল্পেও তার ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার উল্লেখ পাওয়া যায়। এই বহুমাত্রিক বিনিয়োগ কেবল ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির জন্য নয়; বরং দেশের উৎপাদনশীল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবেও বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশের শিল্পায়নের ইতিহাসে শিপ রিসাইক্লিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। বিশ্বব্যাপী জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান উল্লেখযোগ্য। এই শিল্প থেকে উৎপাদিত স্ক্র্যাপ স্টিল দেশের রড, নির্মাণসামগ্রী এবং ভারী শিল্পের জন্য অপরিহার্য কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে এই শিল্প প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই খাতে শওকত আলী চৌধুরীর সম্পৃক্ততা দেশের পুনর্ব্যবহারভিত্তিক শিল্প অর্থনীতির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিচায়ক।

Image

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে শিল্প, বাণিজ্য ও আর্থিক খাত একে অপরের পরিপূরক। একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা যেমন শিল্পায়নকে এগিয়ে নেয়, তেমনি সুদূরপ্রসারী শিল্প বিনিয়োগ ব্যাংকিং খাতকে আরও কার্যকর করে তোলে। এই দুই খাতের সমন্বয়ে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, শওকত আলী চৌধুরী তাঁদের মধ্যে অন্যতম। একজন উদ্যোক্তা, শিল্পোদ্যোক্তা এবং ব্যাংকার হিসেবে তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের ব্যবসা ও অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে যেমন তিনি আর্থিক খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তেমনি শিল্প, বন্দরসেবা, লজিস্টিকস, চা, বীমা, রিয়েল এস্টেট ও অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন শওকত আলী চৌধুরী। উদ্যোক্তা হিসেবে তার মূল দর্শন ছিল দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি। সময়ের সঙ্গে সেই দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে তার প্রতিটি ব্যবসায়িক উদ্যোগে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি কেবল তার আর্থিক অর্জনে নয়; বরং সুশাসন, দক্ষ মানবসম্পদ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অংশীজনদের আস্থার ওপর নির্ভর করে। এই দর্শনই তাকে দেশের করপোরেট অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় এনে দিয়েছে।

বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের ইতিহাসে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৩ সালে ব্যাংকটির যাত্রা শুরু হয় এবং সেই সময় থেকেই প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শওকত আলী চৌধুরী। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা উন্নয়নে তিনি ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন।

২০১৮ সালে তিনি প্রথমবার ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পুনর্র্নিবাচিত হয়ে তিনি ব্যাংকটির নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন। তার নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের করপোরেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকটির ডিজিটাল রূপান্তর, গ্রাহকসেবার আধুনিকীকরণ, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের কৌশলগত ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অ্যানালিটিক্স, ডিজিটাল পেমেন্ট, মোবাইল ব্যাংকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা এখন আধুনিক ব্যাংকিংয়ের অপরিহার্য অংশ। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় ইস্টার্ন ব্যাংকও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। গ্রাহকদের দ্রুত, নিরাপদ এবং সহজ সেবা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তবে শওকত আলী চৌধুরীর ব্যবসায়িক পরিচয় কেবল ব্যাংকিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একটি বহুমুখী শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যার কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিস্তৃত। ইস্টার্ন ব্যাংকের অফিসিয়াল প্রোফাইল অনুযায়ী তার ব্যবসায়িক আগ্রহের ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে শিপ রিসাইক্লিং, চা শিল্প, সিরামিক, রিয়েল এস্টেট, এজেন্সি ব্যবসা, ইঞ্জিনিয়ারিং সেবা, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো, বাণিজ্যিক ব্যাংকিং, বীমা এবং সিকিউরিটিজ ব্যবসা। পূর্ববর্তী বার্ষিক প্রতিবেদনে তৈরি পোশাক শিল্পেও তার সম্পৃক্ততার উল্লেখ রয়েছে।

বাংলাদেশের শিল্প অর্থনীতিতে শিপ রিসাইক্লিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। পুরোনো সমুদ্রগামী জাহাজ পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের ইস্পাত শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের বড় অংশ সরবরাহ করা হয়। এই শিল্প প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং দেশের উৎপাদন খাতকে শক্তিশালী করে। এই শিল্পে তার সম্পৃক্ততা শিল্পায়ন এবং পুনর্ব্যবহারভিত্তিক অর্থনীতির প্রতি তার দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

চা শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী কৃষিভিত্তিক শিল্প। চা বাগান পরিচালনা ও উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি কৃষি, শিল্প এবং রপ্তানিমুখী অর্থনীতির মধ্যে একটি কার্যকর সংযোগ তৈরি করেছেন। একইভাবে সিরামিক শিল্পে বিনিয়োগ দেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদন খাতের প্রতি তার আস্থার প্রতিফলন। নির্মাণশিল্প এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এই খাতকে আরও সম্ভাবনাময় করে তুলেছে।

রিয়েল এস্টেট, প্রকৌশল সেবা এবং এজেন্সি ব্যবসায়ও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। নগরায়ণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্প সম্প্রসারণের সঙ্গে এসব খাত ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একই সঙ্গে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো বা আইসিডি খাতে তার বিনিয়োগ বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করছে। লজিস্টিকস অবকাঠামো শক্তিশালী না হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় তিনি লজিস্টিকস ও বন্দরসংশ্লিষ্ট খাতেও বিনিয়োগ করেছেন।

তিনি বীমা ও সিকিউরিটিজ ব্যবসার সঙ্গেও সম্পৃক্ত। আধুনিক অর্থনীতিতে ব্যাংকিং, বীমা এবং পুঁজিবাজার একে অপরের পরিপূরক। এই তিন খাতের সমন্বিত বিকাশ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। বহুমাত্রিক এই ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা তার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ দর্শনেরই প্রতিফলন।

ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্বেও তিনি সক্রিয়। তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এই সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন এবং উদ্যোক্তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এই সংগঠন সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

তিনি বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের নীতিগত উন্নয়ন, পরিবেশগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদ- অনুসরণে এই সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি তিনি সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজীবন সদস্য। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে এই সংগঠনের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন

লোড হচ্ছে...