
নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপত্যের নকশা করে যাচ্ছেন স্থপতি : রাফি মাহমুদ
রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

দীর্ঘ তিন দশক ধরে স্থাপত্যচর্চায় নিবেদিত প্রাণ মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান স্থপতি। আধুনিক ও টেকসই স্থাপত্য নকশায় সুউচ্চারিত তাঁর নাম। নির্ভরযোগ্যতা, বিচক্ষন ডিজাইন ও নিরলস পরিশ্রম তাঁর সাফল্যের মূল ভিত্তি। বর্নাঢ্য ও লক্ষ্যে অবিচল এক ক্যারিয়ারে সততা ও নিষ্ঠার সাথে আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর অভিনব স্থাপত্যশৈলী মুগ্ধ করেছে সবাইকে। মূলত তাঁর নকশাতেই ইট, কংক্রিট, সিমেন্ট, ইস্পাত আর কাঁচের ওপর ভর করে শৈল্পিক ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে আছে দেশের প্রথম সারির দালান গুলো। তাঁর অর্জন গুলো ব্যক্তিসীমা ছাড়িয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নেও একের পর এক মাইল ফলক স্থাপন করে যাচ্ছে। এবার শাহ্ সিমেন্ট নির্মাণে আমিতে এই খ্যাতিমান স্থপতির অনন্য এক সৃষ্টি “সিম্পলট্রি” নিয়ে প্রতিবেদন। লিখেছেন- মোহাম্মদ তারেক
স্থাপত্য তখনই জীবন্ত হয়ে ওঠে, যখন তাতে অন্তর্নিহিত সত্যটি পরিশীলিত হয়। সৃজনশীল নকশা অবশ্যই বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে হবে। নান্দিকতা তখনই প্রাণবন্ত হয় যখন তাতে সততার সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। এমনটাই ভাবেন গুণী স্থপতি ফয়েজ উল্লাহ। তাঁর সৌন্দর্যবোধের শিকড়ে রয়েছে সততা। প্রতিটি ভবন নকশার পেছনে এই সৌন্দর্যবোধটাকেই পরিপাটি করে উপস্থাপন করা হয়। ক্লায়েন্টের চাহিদা থাকে, প্রয়োজনীয়তা থাকে। সবকিছু মাথায় রেখেই একজন স্থপতিকে কাজ করতে হয়। তবে ফয়েজ উল্লাহ মনে করেন কৃত সৌন্দর্যবোধ আসে সত্যকে তার নিজস্ব প্রকাশভঙ্গির মধ্য দিয়ে অনুধাবনের মাধ্যমে।
আমাদের প্রকৃতির দিকে তাকালেই এই সত্য, সুন্দর শৃঙ্খলাবোধের দৃষ্টান্ত মেলে। প্রকৃতির প্রতিটি বস্তু, উপাদান সবই জ্যামিতিক বিন্যাসে সুবিন্যস্ত। একজন সৃজনশীল স্থপতিও সেই সুবিন্যস্ত নকশার প্রতিফলন ঘটান তাঁর কাজে। একটি দালান যেমন নির্দিষ্ট ভিত ছাড়া দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না তেমনি সৎ সৃজনশীলতা না থাকলে স্থাপত্যের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে না। সফল স্থপতি হওয়ার সহজতম রাস্তা এটাই, চিন্তার জগতে সৎ থাকা। অনুকরণপ্রবণতা একজন স্থপতির সৃজনশীলতাকে নষ্ট করে, স্থাপত্যের মৌলিকতার সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে।
শাহ্ সিমেন্ট-আনন্দ আলো যৌথ উদ্যোগ নিয়ে
লোড হচ্ছে...

রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

ইট-পাথরের খাঁচায় সবুজের ছোঁয়া এনে স্থাপত্যশিল্পে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ মোসাব্বির হাসান। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “স্বপ্ন বুনন স্থাপত্য” নামের একটি

সার্বজনীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধকে ধারণ করে নিজস্ব নকশা-দর্শন গড়ে তুলেছেন স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করা এই স্থপতি.....

স্থপতি জিসান ফুয়াদ চৌধুরী স্থাপত্য পেশা ও শিক্ষকতার সাথে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। তিনি আহ্সান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে এই স্থপতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে

আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে পরিবেশবান্ধব ,মানববান্ধব ও নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি ঋতুপর্ণা দে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “নৃ-ছায়া” নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে আলো, বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তিনি পড়াশোনা করেছেন খুলনা ....

জলবায়ু, সংস্কৃতি, ভূ প্রকৃতি ও মানুষের মমত্ববোধ নিয়ে স্থাপত্য শিল্পে সৃষ্টিশীল কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ নাহিদ হাসান, স্থপতি এস. এম. রুহুল আমিন ও স্থপতি অনিমেষ প্রভাকর দেবনাথ। তাঁরা তিনজন ভালো বন্ধু.........

বাড়ি কিংবা অফিস সাজাতে আলোর ভূমিকা এখন আর কেবল অন্ধকার দূর করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সঠিক আলোকসজ্জা যেমন ছোট ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে বড় দেখা যাবে,.........