
নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপত্যের নকশা করে যাচ্ছেন স্থপতি : রাফি মাহমুদ
রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

ইট-পাথরের খাঁচায় সবুজের ছোঁয়া এনে স্থাপত্যশিল্পে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ মোসাব্বির হাসান। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “স্বপ্ন বুনন স্থাপত্য” নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি প্রিন্সিপাল আর্কিটেক্ট এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার নকশা করেছে।
এবার শাহ্ সিমেন্ট নির্মাণে আমিতে এই প্রতিভাবান স্থপতিকে নিয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন- মোহাম্মদ তারেক
আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই স্থাপনা করে চলেছেন স্থপতি মোসাব্বির হাসানের। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা খুলনায়। মোসাব্বিরের বাবার নাম মোঃ মতিয়ার রহমান একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মা মাজেদা খাতুন শিক্ষিকা ছিলেন। দুই ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় মোসাব্বির। খুলনা জেলা স্কুল থেকে তিনি এসএসসি পাশ করেন ২০০৪ সালে। ২০০৬ সালে খুলনার এম এম সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে ভর্তি হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে। ২০১৫ সালে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তারপর তিনি যোগ দেন খ্যাতিমান স্থপতি এস, এম, নাজিম উদ্দিন পায়েলের অধীনে “বাস্তূকল্প আর্কিটেক্টস লিমিটেড এ”। সেখানে পেশাগত জীবনে আট বছরে স্বনামধন্য এই স্থপতির কাছ থেকে তিনি স্থাপত্যের নানা বিষয়ে শিক্ষা নেন। তারপর স্থপতি মোসাব্বির হাসান নিজেই গড়ে তোলেন “স্বপ্ন বুনন স্থাপত্য” নামের প্রতিষ্ঠানটি। এই স্থপতির উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে- খুলনায় ক্লাসিক কর্পোরেশন এর ক্লাসিক কারস রেট্রোফিটিং ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন, যশোরে ডাঃ শরিফুল আলম খানের ফার্মহাউস, খুলনায় ডাঃ শবনম সুলতানা ও ব্যাংকার মাহমুদুল হাসানের ডুপ্লেক্স ফ্যামিলি রেসিডেন্স বিল্ডিং, সাতক্ষীরায় ডাঃ আসমাউল হুসনা এর ৫ তলা আবাসিক ভবন, খুলনায় ডাঃ ইশতিয়াক মাহমুদের ডার্মাটোলজি সেন্টার, গাইবান্ধায় আব্দুল জলিলস রেসিডেন্স বিল্ডিং, নওগাঁর সাপাহারে প্রফেসর কামাল রেসিডেন্স বিল্ডিং, খুলনার মুজগুন্নিতে ৪ তলা বিশিষ্ট আনিস ফ্যামিলি রেসিডেন্স বিল্ডিং, কুষ্টিয়ায় ৫ তলা বিশিষ্ট নাজমুলস রেসিডেন্স বিল্ডিং সহ বেশ কিছু প্রজেক্ট।
স্থপতি মোঃ মোসাব্বির হাসান বলেন, স্বপ্নবুনন স্থাপত্য: ইট-কংক্রিটের ক্যানভাসে আধুনিকতা ও প্রকৃতির মেলবন্ধন। খুলনার মাটি পেরিয়ে সমগ্র বাংলাদেশে স্থাপত্যশিল্পের এক অনন্য নান্দনিক দিগন্ত উন্মোচন করে চলেছে আর্কিটেকচারাল কনসালটেন্সি ফার্ম ‘স্বপ্নবুনন স্থাপত্য’। যদিও দেশজুড়েই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আমাদের কাজ, তবুও রূপসী খুলনার হৃদপি-ে আমাদের সৃজনশীলতার রূপরেখা সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল। আমাদের নকশাকৃত বহুতল ভবন, সমসাময়িক বাংলো বাড়ি কিংবা ইনটেরিয়র স্পেসের পানে তাকালেই একটি পরিশীলিত, স্বকীয় ও স্বাতন্ত্র্যম-িত ডিজাইন ফিলোসফি অনায়াসেই চোখে পড়ে।

অনন্য স্থাপত্যশৈলী
‘স্বপ্নবুনন স্থাপত্য’-এর নকশা মূলত মডার্ন কন্টেম্পোরারি ও বায়োফিলিক ভাবধারার এক অপূর্ব ভারসাম্য। আমাদের এই শৈল্পিক দর্শনের মূল ভিত্তিগুলো হলো:
* উপাদানের সততা ও নান্দনিক টেক্সচার: ভবনগুলোর বহিরাঙ্গনে উন্মুক্ত লাল ইট (এক্সপোজড রেড ব্রিক) ও টেক্সচারড কংক্রিটের যুগলবন্দী অত্যন্ত সুনিপুণ। ইটের চিরায়ত আবেগের সাথে কংক্রিটের ধূসর আধুনিকতার এই মেলবন্ধন স্থাপনাকে কৃত্রিম না করে মাটির সমীপবর্তী ও প্রশান্তিময় এক রূপ দান করে।
* সবুজের ছোঁয়া ও ভার্টিক্যাল গ্রিন: প্রকৃতির সাথে অচ্ছেদ্য বন্ধন তৈরি করাই প্রতিটি প্রকল্পের মূল সুর। বারান্দা, টেরেস কিংবা ছাদ ঘেঁষে নেমে আসা লতাগুল্ম ও পরিকল্পিত প্ল্যান্টার বক্সের ছোঁয়া ইট-কংক্রিটের নির্জীব শরীরে এক লহমায় প্রাণ সঞ্চার করে।
* আলো-বাতাসের অবাধ বিস্তার: ল্যুভার, বিশাল কাঁচের জানালা এবং সুচিন্তিত প্ল্যান লেআউটের গুণে প্রতিটি কোণে খেলা করে পর্যাপ্ত আলো আর বাতাস, যা আমাদের ক্রান্তীয় আবহাওয়ার নিখুঁত সাথি।
* ইনটেরিয়র ও ফাংশনাল ডিজাইন: কেবল বহিরাঙ্গনেই নয়, তাদের অন্দরমহলেও ছড়িয়ে থাকে এক স্নিগ্ধ আমেজ। রৈখিক কাঠের টেক্সচার, মিনিমালিস্টিক লাইটিং আর নিখুঁত জ্যামিতিক রেখার প্রয়োগে সৃষ্টি হয় শান্ত ও মার্জিত এক পরিবেশ। একই সাথে বাণিজ্যিক স্থান কিংবা শোরুম ডিজাইনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তা ও আধুনিক কর্মউপযোগিতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়।
দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স ফার্ম হাউস প্রজেক্টটি সম্পর্কে স্থপতি মোসাব্বির হাসান বলেন, যশোরে এক চিকিৎসকের শান্তিময় ডুপ্লেক্স ফার্মহাউস কর্মজীবনের অশেষ ব্যস্ততা ও মনস্তাত্ত্বিক ক্লান্তি শেষে প্রকৃতির পরম আশ্রয়ে বিলীন হওয়ার এক অনন্য নিবাস হিসেবে যশোরে গড়ে উঠছে এই দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স ফার্মহাউসটি। এক চিকিৎসক ক্লায়েন্টের জন্য নির্মিত এই আবাসের কোণে কোণে লেপ্টে রয়েছে এক অখ- প্রশান্তি। সুবিশাল ল্যান্ডস্কেপ আর আদিগন্ত সবুজের ক্যানভাসে বাড়িটি যেন প্রকৃতিরই এক স্বাভাবিক বর্ধিতাংশ।
উন্মুক্ত অন্দরমহল ও জলছোঁয়া স্থাপত্য
গৃহের ভেতরে প্রবেশ করতেই অভ্যর্থনা জানায় একটি আধুনিক ওপেন ফ্লোর প্ল্যান, যা পুরো অন্দরকে করে তুলেছে চমৎকার প্রশস্ত ও আলো-বাতাসে ঝলমলে। তবে এই ফার্মহাউসের প্রধান জাদুকরী চমক লুকিয়ে আছে সিঁড়িঘরের তলদেশে। ডুপ্লেক্স সিঁড়িটির নিচ থেকে একটি ধাপ সরাসরি নেমে গেছে গৃহসংলগ্ন শান্ত পুকুরটিতে। জলে মিশে যাওয়া এই ধাপগুলো যেন এক নস্টালজিক গ্রামীণ ঘাট-আধুনিকতার বুকে যেন আবহমান বাংলার এক টুকরো আবেগ!
প্রকৃতির সাথে পরম মিতালী। দোতলার শয়নকক্ষগুলোর নকশা এমনভাবে করা হয়েছে, যেন নয়ন মেললেই দীঘল পুকুরের নিথর জলরাশি আর সবুজের ল্যান্ডস্কেপ জীবন্ত কোনো ক্যানভাসের মতো ভেসে ওঠে। ভোরের স্নিগ্ধ আলো আর বিকেলের মায়াবী সমীরণ উপভোগ করার জন্য এটি এক স্বর্গীয় আয়োজন।
আউটডোর লাইফস্টাইল ও বিনোদন
খোলা আকাশের রূপ উপভোগের জন্য রয়েছে একটি চমৎকার ওপেন-হেড সুইমিং পুল। আর পুলের পাশেই সংযুক্ত রয়েছে বিশেষ বার্বিকিউ স্পেস-যা প্রিয়জন ও বন্ধুদের সাথে অবসর উদযাপনের জন্য একেবারে উপযুক্ত।

বিশাল সবুজ লন, গোছানো বাগান, আধুনিক নান্দনিকতা আর ঐতিহ্যবাহী পুকুর ঘাটের এই অপূর্ব সহাবস্থান যান্ত্রিক সীমানা ছাড়িয়ে উপহার দেয় প্রশান্তির এক চিরন্তন জীবন।
সবুজের ক্যানভাসে স্বপ্নের ডুপ্লেক্স: খুলনার এক চিকিৎসক-ব্যাংকার দম্পতির নীড়
যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ঝেড়ে এক টুকরো নির্মল শান্তি আর সবুজের স্পর্শ নিশ্চিত করতে রূপসী খুলনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি আধুনিক ডুপ্লেক্স নিবাস। এক কর্মজীবী দম্পতি ও তাঁদের দুই কন্যার জন্য সাজানো এই আবাসের মূল দর্শনই হলো-উন্মুক্ততা, আলো-বাতাসের অবাধ প্রবাহ এবং প্রকৃতির সাথে এক নিবিড় সখ্য।
নকশার অনন্যতা ও খোলামেলা আবহ
বাড়িটির মূল আকর্ষণ এর ডাবল-হাইট স্পেস এবং উন্মুক্ত গঠনশৈলী। ভেতরে কদম রাখতেই সুউচ্চ ছাদ ও চারিদিকের খোলামেলা পরিবেশ নজর কেড়ে নেয়, যা আবাসনটিকে দেয় এক রাজকীয় আলোকময় রূপ। অভ্যন্তরীণ সিঁড়িটি কেবল তলার সংযোগসেতু নয়, বরং ঘরটির প্রধান শৈল্পিক ভাস্কর্য হিসেবে ফুটে উঠেছে। আর লিভিং ও ডাইনিং স্পেসের সজ্জা এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে পুরো পরিবার একসঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারে।
প্রকৃতি ও আধুনিকতার মেলবন্ধন। শহুরে ইট-পাথরের মাঝেও এটি এক স্নিগ্ধ সবুজ মরূদ্যান। বাড়ির ঠিক সামনেই রয়েছে সুবিন্যস্ত সবুজ লন ও রকমারি ফুলের বাগান। লনের পাশ ঘেঁষে কাঠের পারগোলা ও বসার সুব্যবস্থা পুরো আবহকে করে তোলে মনোহর। বিভিন্ন বারান্দা ও দেয়ালে ঝুলন্ত লতাপাতা অন্দরে টেনে এনেছে সতেজ প্রকৃতিকে। বহিরাঙ্গনে লাল ইটের টেক্সচার, ধবধবে শুভ্র কংক্রিট আর কাঠের ওল্টানো প্যানেলের সংমিশ্রণ বাড়িটিকে দিয়েছে এক অভিজাত মডার্ন-কনটেম্পোরারি লুক।
চারটি শয়নকক্ষ বিশিষ্ট এই নীড়ে দুই কন্যার জন্য রয়েছে তাদের কল্পনার নিজস্ব জগত। আর দিনান্তের ক্লান্তি ভুলে গল্পে মজে ওঠার জন্য ছাদটিকে সাজানো হয়েছে মনোরমভাবে। সবুজ গাছপালার মাঝে রয়েছে মন ভালো করা একটি দোলনা, যেখানে বসে উপভোগ করা যায় পড়ন্ত বিকেল কিংবা মায়াবী সন্ধ্যার আসল সৌন্দর্য।
আধুনিক নাগরিক জীবনের সর্বাধুনিক সুবিধা অক্ষুণ্ণ রেখে, নান্দনিক স্থাপত্য আর প্রকৃতির এই অনুপম রূপান্তর বাড়িটিকে খুলনার বুকে এক অবিস্মরণীয় স্থাপত্যকীর্তি করে তুলবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্থপতি মোসাব্বির হাসান বলেন, সময়ের সাথে দেশে আবাসন ও বাণিজ্যিক স্থাপত্যের প্রসারের পাশাপাশি ‘স্বপ্নবুনন স্থাপত্য’ বুনন করে চলেছে এক পরিবেশবান্ধব ও টেকসই আগামী। গ্রিন ও সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার: প্রকৃতির ক্ষতি না করে কীভাবে শক্তি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব স্থাপনা গড়ে তোলা যায়, তা-ই আমাদের আগামীর ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু।

আঞ্চলিকতার সাথে আধুনিকতার ফিউশন: খুলনাসহ রূপসী বাংলার গ্রাম ও শহরতলীর সহজাত রূপকে অক্ষুণœ রেখে বৈশ্বিক ট্রেন্ডের সাথে দেশীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটানো আমাদের মূল স্বপ্ন। এমনকি কোনো খামারবাড়ি বা বাংলো ডিজাইনেও প্রকৃতির খাঁটি রূপকে আড়াল না করে আধুনিক নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
স্মার্ট ও ফিউচারিস্টিক স্পেস: যুগোপযোগী এমন সব আর্কিটেকচারাল সলিউশন আমরা উপহার দিতে চাই, যা আগামী প্রজন্মের জীবনযাত্রা ও দ্রুত পরিবর্তনশীল লাইফস্টাইলের সাথে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়।
ইট, কংক্রিট, কাঠ আর সবুজের এই মায়াবী আখ্যানে ‘স্বপ্নবুনন স্থাপত্য’ কেবল চারদেয়ালের ইমারত গড়ছে না, বরং প্রতিটি নাগরিকের অন্তরে বুনে চলেছে জীবন্ত স্বপ্নের এক একটি প্রচ্ছদ।
শাহ্ সিমেন্ট-আনন্দ আলো যৌথ উদ্যোগ নিয়ে
লোড হচ্ছে...

রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

সার্বজনীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধকে ধারণ করে নিজস্ব নকশা-দর্শন গড়ে তুলেছেন স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করা এই স্থপতি.....

স্থপতি জিসান ফুয়াদ চৌধুরী স্থাপত্য পেশা ও শিক্ষকতার সাথে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। তিনি আহ্সান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে এই স্থপতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে

আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে পরিবেশবান্ধব ,মানববান্ধব ও নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি ঋতুপর্ণা দে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “নৃ-ছায়া” নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে আলো, বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তিনি পড়াশোনা করেছেন খুলনা ....

জলবায়ু, সংস্কৃতি, ভূ প্রকৃতি ও মানুষের মমত্ববোধ নিয়ে স্থাপত্য শিল্পে সৃষ্টিশীল কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ নাহিদ হাসান, স্থপতি এস. এম. রুহুল আমিন ও স্থপতি অনিমেষ প্রভাকর দেবনাথ। তাঁরা তিনজন ভালো বন্ধু.........

বাড়ি কিংবা অফিস সাজাতে আলোর ভূমিকা এখন আর কেবল অন্ধকার দূর করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সঠিক আলোকসজ্জা যেমন ছোট ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে বড় দেখা যাবে,.........

নগরভিত্তিক স্থাপত্যচর্চার পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের কাছে স্থাপত্যচর্চা পৌঁছে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি ইমরুল ইসলাম দুররানি। তিনি আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়........