Ad space

আধুনিক, পরিবেশ বান্ধব ও মানবিক স্থাপত্যচর্চা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন

প্রকাশ:
28
Image

আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে আলো, বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তিনি পড়াশোনা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এর স্থাপত্য ডিসিপ্লিন এ। তাঁর রয়েছে “প্রগত স্থাপত্য” নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি প্রিন্সিপাল আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর। এ যাবৎ তিনি বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের নকশা করেছেন। এবার আনন্দ আলোর ঈদ সংখ্যায় শাহ্ সিমেন্ট নির্মাণে আমিতে এই স্বনামধন্য স্থপতি কে নিয়ে প্রতিবেদন। লিখেছেন- মোহাম্মদ তারেক

বাংলাদেশের সমকালীন স্থাপত্যচর্চায় নান্দনিকতা, কার্যকারিতা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তাঁর ডিজাইন দর্শনে স্থাপত্য কেবল একটি নির্মাণকাজ নয়; বরং এটি মানুষের জীবনযাত্রা, পরিবেশ ও অনুভূতির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত একটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া।

তাহসিনের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মা গৃহিণী শামসুন নাহার। একজন সফল কর্মজীবী নারীর পেছনে যেমন থাকে নিজের অধ্যবসায়, তেমনি থাকে পরিবার ও প্রিয়জনের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। স্থপতি রাইয়ানা তাহসিনের জীবনেও তাঁর মায়ের অবদান অপরিসীম।

ছোটবেলা থেকেই মায়ের দেখানো স্বপ্নের পথ অনুসরণ করে এবং তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় আজও তিনি এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসের সাথে।

ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তার অন্যতম শক্তির জায়গা তার স্বামী, স্থপতি সালমান বিন কামাল। তিনি বর্তমানে স্থাপত্য অধিদপ্তরে এক্সিকিউটিভ আর্কিটেক্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। পারিবারিক ও কর্মজীবনের নানা বাস্তবতায় তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা স্থপতি রাইয়ানা তাহসিনের পথচলাকে আরও দৃঢ় ও সমৃদ্ধ করেছে।

ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন ২০০১ সালে। ২০০৩ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করেন। স্থাপত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ ও সৃজনশীল মনন তাঁকে নিয়ে যায় খুলনা ইউনিভার্সিটিতে, যেখানে তিনি ২০১০ সালে স্থাপত্য ডিসিপ্লিন এ স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

Image

পেশাগত জীবনের শুরুতেই তিনি কাজ করার সুযোগ পান দেশের অন্যতম স্বনামধন্য স্থপতি আর্কিটেক্ট এনামুল করিম নির্ঝরের প্রতিষ্ঠিত সিস্টেম আর্কিটেক্টস-এ। এই সময়ে তিনি ফিনলে প্রপার্টিজের বেশ কয়েকটি লাক্সারি অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ আগ্রাবাদ রিসোর্টের ডিজাইন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বৃহৎ পরিসরের আবাসিক ও হসপিটালিটি প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর নকশা চিন্তাকে আরও সমৃদ্ধ ও বাস্তবভিত্তিক করে তোলে।

পরবর্তীতে ২০১৩ সালে তিনি প্রখ্যাত স্থপতি জালাল আহমেদ স্যারের ঔ. অ অৎপযরঃবপঃং সাথে কাজ করার মাধ্যমে পেশাগত অভিজ্ঞতার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং কে ইপিজেড ফ্যাক্টরি প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যকাজের সাথে যুক্ত ছিলেন।

২০১৮ সাল হতে “প্রগত স্থাপত্য” এর প্রিন্সিপাল আর্কিটেক্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন আধুনিক, পরিবেশ-সচেতন ও মানবিক স্থাপত্যচর্চা নিয়ে। তাঁর ডিজাইনে প্রাকৃতিক আলো-বাতাস, সবুজের ব্যবহার, স্থানীয় উপকরণের প্রয়োগ এবং ব্যবহারকারীর মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সফল স্থাপত্য শুধু দৃষ্টিনন্দন হলেই যথেষ্ট নয়; বরং সেটি মানুষের সাথে সংযোগ তৈরি করবে, স্বস্তি দেবে এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করবে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য বিল্ডিং ডিজাইনের মধ্যে রয়েছে- মাল্টিপারপাস ট্রেনিং ফ্যাসিলিটি ৭৫০ সিট অডিটোরিয়াম এবং তিন তলা একাডেমিক বিল্ডিং, ঢাকার পূর্বাচলে রাজউক অফিসার্স কোয়াটার, পূর্বাচল নিউ টাউনের সেক্টর ৯ ও সেক্টর ২৫-এ রাজউক মসজিদ, আফতাব নগরে পি এস টি সি অফিস, জলসিঁড়ি আবাসনের সেক্টর ৯ ও সেক্টর ১১ তে আবাসিক ভবন, গাইবান্ধায় সাইক্লোন সেল্টার সহ বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট। এ ছাড়াও ইন্টেরিয়র প্রজেক্টের মধ্যে রয়েছে- কুষ্টিয়ায় দ্য সিনে টোনস অফিস, এডুকেশন ইউ এস এ লাইব্রেরি ইন্টেরিয়র, এনেক্স কম্পাউন্ড, আমেরিকান এম্বাসি, ঢাকা।

স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন বলেন, স্থাপত্য আমার কাছে শুধু একটি ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি মানুষ, প্রকৃতি ও পরিবেশের মধ্যে একটি অর্থবহ সংলাপ তৈরির শিল্প। প্রতিটি প্রকল্পের শুরুতে আমরা সাইট অ্যানালাইসিস, সাইট ফোর্স, জলবায়ুগত বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারগত চাহিদাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি। কারণ একটি স্থাপনার প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই প্রকাশ পায়, যখন নান্দনিকতা ও কার্যকারিতা একসাথে সমন্বিত হয়। আমরা বিশ্বাস করি, স্থাপত্যের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের জন্য একটি আরামদায়ক, স্বাস্থ্যকর ও মানবিক পরিবেশ তৈরি করা। তাই প্রতিটি ডিজাইনে প্রাকৃতিক আলো ও বায়ু চলাচলের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সবুজের উপস্থিতিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, কারণ গাছপালা ও প্রকৃতির সংযোগ মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নকশা দর্শনে স্থানীয় উপকরণের ব্যবহার বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়। স্থানীয় উপকরণ শুধু পরিবেশবান্ধবই নয়, এটি একটি স্থাপত্যকে তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাথেও সংযুক্ত রাখে। আধুনিক প্রযুক্তি ও সমকালীন নান্দনিকতার সাথে দেশীয় উপাদানের সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা একটি টেকসই ও সময়োপযোগী স্থাপত্য ভাষা গড়ে তুলতে চাই।

Image

ইন্টেরিয়র ডিজাইন সম্পর্কে স্থপতি তাহসিন বলেন, ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার আমাদের কাছে শুধুমাত্র একটি নান্দনিক পরিবেশ তৈরির বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের জীবনযাপন, ব্যবহারিক প্রয়োজন এবং মানসিক স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে একটি সুসমন্বিত সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়া। প্রতিটি স্পেসের ডিজাইনে আমরা সর্বপ্রথম গুরুত্ব দিই তার কার্যকারিতা ও চলাচলের স্বাচ্ছন্দ্যকে। একটি স্থান কীভাবে ব্যবহার হবে এবং ব্যবহারকারীরা কীভাবে সেই স্থানের সাথে সংযুক্ত হবেন-এই ভাবনাকেই ডিজাইনের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

একটি পরিপূর্ণ ইন্টেরিয়র স্পেস তৈরিতে আলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রাকৃতিক আলো, অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, টাস্ক লাইটিং এবং অ্যাকসেন্ট লাইটিং-এর সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করি। আলো শুধু একটি স্থানকে আলোকিত করে না, বরং সেই স্থানের আবহ, গভীরতা ও অনুভূতিকেও প্রভাবিত করে।

রঙ, কনট্রাস্ট, টেক্সচার ও প্যাটার্নের সৃজনশীল ব্যবহার একটি ইন্টেরিয়র স্পেসকে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।

ডিজাইনের প্রতিটি স্তরে আমরা সবুজ ও প্রাকৃতিক উপাদানের উপস্থিতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিই। গাছপালা, প্রাকৃতিক টেক্সচার একটি স্পেসে জীবন্ত অনুভূতি এনে দেয় এবং মানুষের মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি করে।

আমাদের কাছে একটি সফল ইন্টেরিয়র ডিজাইন মানে এমন একটি স্পেস, যা নান্দনিকতার পাশাপাশি আরাম, কার ক্বারিতা এবং মানবিক সংযোগের অনুভূতি সৃষ্টি করতে সক্ষম।

ভ্যাকেশন হাউসের নকশা ভাবনা :

ঢাকার ব্যস্ত নাগরিক জীবনের বাইরে, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে নির্মাণ প্রস্তাবিত এই ভ্যাকেশন হাউসটি মূলত একটি শান্ত, উন্মুক্ত এবং প্রকৃতিনির্ভর অবকাশযাপনের স্থান হিসেবে পরিকল্পিত। আধুনিক জীবনযাত্রার কোলাহল থেকে সাময়িক মুক্তি এনে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে স্বাচ্ছন্দ্যময় সময় কাটানোর ভাবনা থেকেই প্রকল্পটির নকশা তৈরি করা হয়েছে।

Image

প্রকল্পটিতে রয়েছে দুটি বেডরুম, একটি উন্মুক্ত লিভিং-কাম-ডাইনিং স্পেস এবং সেমি-আউটডোর সিটিং এরিয়া। অভ্যন্তরীণ লিভিং ও ডাইনিং স্পেসকে সরাসরি সংযুক্ত করা হয়েছে এক্সটেন্ডেড ডেক এরিয়ার সাথে, যা পুরো স্থাপনাটিকে একটি ফ্রি-ফ্লোয়িং স্পেস হিসেবে গড়ে তুলেছে। এই উন্মুক্ত পরিকল্পনা ছোট পারিবারিক আড্ডা, বন্ধুদের গেট-টুগেদার কিংবা ছোট পরিসরের পার্টি আয়োজনের জন্য একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে। প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এর বিস্তৃত সবুজ লন এবং যতœসহকারে পরিকল্পিত ল্যান্ডস্কেপ।

স্থাপত্য ও প্রকৃতির মধ্যে একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করাই ছিল ডিজাইনের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই ভবনের প্রতিটি অংশ থেকেই বাইরের সবুজ পরিবেশকে অনুভব করার সুযোগ রাখা হয়েছে। বড় আকারের ক্লিয়ার গ্লাস উইন্ডো অভ্যন্তরীণ স্পেসকে বাইরের প্রাকৃতিক দৃশ্যের সাথে সংযুক্ত করেছে যা আলো, বাতাস এবং প্রকৃতির অনুভূতিকে আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করে।

যেহেতু এটি ৮ থেকে ১০ বছরের জন্য একটি টেম্পোরারি প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত, তাই নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে স্টিল স্ট্রাকচার। একইসাথে ইটের ব্যবহার ভবনটিকে দিয়েছে একটি প্রাকৃতিক ও উষ্ণ আবহ। আধুনিক নির্মাণ উপাদান এবং দেশীয় ম্যাটেরিয়ালের সমন্বয়ে স্থাপনাটিতে তৈরি হয়েছে একটি সমকালীন স্থাপত্য ভাষা।

ডিজাইনের ক্ষেত্রে উত্তর-দক্ষিণমুখী অরিয়েন্টেশন বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে ভবনটি পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ও ক্রস ভেন্টিলেশন পায়। এর ফলে অভ্যন্তরীণ পরিবেশ থাকে আরামদায়ক এবং প্রকৃতিনির্ভর। পুরো প্রকল্পটিতে কার্যকারিতা, উন্মুক্ততা এবং প্রকৃতির সাথে সংযোগ-এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই ভ্যাকেশন হাউসটি শুধুমাত্র একটি অবকাশযাপনের স্থাপনা নয়; বরং এটি এমন একটি স্পেস, যেখানে স্থাপত্য, প্রকৃতি এবং মানুষের অনুভূতি একসাথে মিলিত হয়ে তৈরি করেছে প্রশান্তি ও স্বস্তির এক অনন্য পরিবেশ।

তরুণ স্থপতিদের উদ্দেশ্য স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন বলেন, আর্কিটেকচার শুধুমাত্র একটি পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব, একটি সৃজনশীল যাত্রা এবং মানুষের

জীবনযাত্রাকে সুন্দর ও অর্থবহ করে তোলার একটি মাধ্যম। যারা আর্কিটেকচার পড়তে চায় বা এই পেশায় নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-এই বিষয়টিকে শুধু ক্যারিয়ার হিসেবে নয়, বরং একটি প্যাশন হিসেবে গ্রহণ করা।

প্রতিটি স্পেস এবং স্থাপত্যের সৌন্দর্য নতুন কিছু সৃষ্টি করার আনন্দের মধ্যে নিহিত। প্রতিটি ডিজাইন প্রতিটি চিন্তার মধ্যে থাকে নতুন সম্ভাবনা। তাই একজন শিক্ষার্থীকে কৌতূহলী হতে হবে, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার আগ্রহ ধরে রাখতে হবে। শুধুমাত্র একাডেমিক পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না । দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থাপত্যকর্ম, ডিজাইন ট্রেন্ড, সংস্কৃতি ও জীবনধারা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে। কারণ একটি ভালো স্থাপত্যচর্চা গড়ে ওঠে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে।

একজন স্থপতির চিন্তাভাবনা হতে হবে প্রসারিত ও মানবিক। শুধু নান্দনিকতা নয়, মানুষের ব্যবহার, পরিবেশ, প্রকৃতি এবং সামাজিক বাস্তবতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ভ্রমণ, বই পড়া, বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকা এবং বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা ও চিন্তার গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

লোড হচ্ছে...