
তাকে আমি ভালোবাসতাম, সে-ও আমাকে ভালোবাসত
সহশিল্পী নায়কদের মধ্যে ববিতার প্রেমের সম্পর্ক জোরালোভাবে উচ্চারিত হয় একজনের সঙ্গে। তিনি জাফর ইকবাল..

নায়ক মান্না কেন কষ্ট দিয়েছিলেন কাজী হায়াৎকে
অহংকার মানুষকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করায়, একজনের অহংকার অন্যজনকে কিভাবে আহত করে তার একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা কাজী হায়াৎ। একথা সবাই জানেন আমাদের সিনেমার ব্যাপক জনপ্রিয় নায়ক মান্নাকে বলতে গেলে কাজী হায়াৎই তৈরি করেছিলেন। অথচ মান্নারই একদিনের আচরণ ও কটু কথায় খুবই আহত হন কাজী হায়াৎ। সিদ্ধান্ত নেন-আর কোনো দিন মান্নাকে নিয়ে ছবি বানাবেন না। কি ঘটেছিল সেদিন? আসুন কাজী হায়াৎ এর কাছেই শুনি সে কথা।
শুনলে অবাক হবেন, মান্নাকে নিয়েই ঘটনা। মান্নাকে নিয়ে আমি যখন লাস্ট ছবিটি করছিলাম, ছবির নাম মিনিস্টার। এই ছবির শেষ দৃশ্যের স্যুটিং চলছিলো। সেদিন আমি আমার সহকারীদেরকে সব বুঝিয়ে দিয়ে, জরুরি কাজ থাকায় স্যুটিং স্পষ্ট থেকে চলে গিয়েছিলাম। মান্না সেদিন খুব লেট করছিলো। অহেতুক সময় ক্ষেপন করছিলো। সাংবাদিকদের সঙ্গে গল্প করছিলো। তখন আমার একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট তাকে বলেন, রাত অনেক হয়ে যাচ্ছে, স্যুটিং আজকেই শেষ করতে হবে। মান্না ভাই, আংকেল তো বাইরে। ক্যামেরাম্যানকে সব বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন। আপনি একটু শর্ট গুলো দিয়ে দেন। গল্প পরে করেন।
মান্না তখন রেগে গিয়ে আমার ওই অ্যাসিস্ট্যানকে বলেছিল- আমি মুখে রং মাখি বলে তোরা এখনও ভাত খাচ্ছিস।
আমি মুখে রং মাখি বলেই তোর ওস্তাদও টিকে আছে।
আমি যদি মুখে রং না মাখি তাহলে তোর ওস্তাদও থাকবে না।
মান্না কথাটা হাসতে হাসতে বলেছিল নাকি সিরিয়াসলি বলেছিল সেটা আমি জানতাম না। আমার সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট এর নাম ছিল হাসিব। সে মান্নার মুখে এই কথা গুলো শুনে পেটের মধ্যে হজম করে রেখেছিল ওই ছবিটির সেন্সর প্রিন্ট হওয়া পর্যন্ত। সেন্সর প্রিন্ট হয়ে যাবার পর যখন ছবিটি রিলিজ হলো তখন হাসিব একদিন আমাকে বলল- আংকেল মান্নাকে নিয়ে আর ছবি কইরেন না।
আমি জানতে চাই- কেন?
তখন সে সমস্ত ঘটনা আমাকে খুলে বললো। এই কথা শুনে খুবই কষ্ট পেলাম। চলে এলাম বাসায়। রাতে ঘুম হচ্ছিলো না। যার জন্য এতো করেছি সে এমন কথা বলতে পারলো? মান্না কি মনে করে যে আমি তার উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি? আমিই তো মান্নাকে তৈরি করেছি। আবার মান্না তৈরি করবো আমি।
সেই রাতে আমি মনে মনে গল্প তৈরি করলাম। রাত প্রায় শেষের দিকে। আমি আমার ছেলে মারুফের রুমে গেলাম। সে তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তাকে ডেকে তুললাম।
ওঠ মারুফ।

মারুফ বিছানা থেকে উঠে অবাক হয়ে বলল- আব্বা, তুমি এতো রাতে? কি হয়েছে?
আমি তাকে সরাসরি বললাম- তোমাকে সিনেমায় অভিনয় করতে হবে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে আমি নতুন ছবির কাজ শুরু করব।
মারুফ জানতে চাইলো- কে করবে ছবি?
তাকে বললাম- আমার নিজের টাকায় ছবি করবো?
মারুফ অবাক হয়ে বললো- কি বলতেছ এসব? পাগলামো করতেছ কেন? তুমি কি কোনো দুঃস্বপ্ন দেখে আমার কাছে এসেছ? আমি তো জীবনে কোনো দিন সিনেমার নায়ক হবো এ কথা ভাবিনি। সিনেমায় অভিনয় করবো, সিনেমার সঙ্গে জড়িত হবো এসব তো ভাবিনি আব্বা।
আমি তাকে বললাম- এখন থেকে ভাবো। আমার প্রয়োজনে... আমার জিদ। আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। কেন, কি জন্য তা তোমাকে আজ বলতে পারবো না। কষ্টের কথা গুলো পরে বলবো।
মারুফ অনেকবার কারণ জানতে চাইলো। আমি তাকে আসল ঘটনা বললাম না। শুধু বললাম- যেদিন ছবিটি শুরু হবে সেদিন বলবো।
পরের দিন খাবার টেবিলে মারুফ তার মাকে বললো- মা দেখতো বাবা কি পাগলামী শুরু করেছে। আমাকে নাকি সিনেমায় অভিনয় করতে হবে।
ওর মা বললো- হ্যা, রাতে আমাকেও তাই বলেছে। কোন ধরনের পাগলামী এটা?
আমি বললাম- পাগলামী না। এটা আমার জিদ। আমি যে কাউকেই হিরো বানাতে পারি। যে কাউকে আর্টিস্ট তৈরি করতে পারি। আমি সেই পরিচালক।
মারুফকে নিয়েই ছবিটি তৈরি হলো। ছবির নাম ইতিহাস। আমার ছেলে মারুফ সেই ছবিতে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলিচ্চত্র পুরস্কার পেয়েছিল। আমি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছিলাম। ব্যবসা সফল ছবি হয়েছিল ইতিহাস।
জীবনযাপন নিয়ে
লোড হচ্ছে...

সহশিল্পী নায়কদের মধ্যে ববিতার প্রেমের সম্পর্ক জোরালোভাবে উচ্চারিত হয় একজনের সঙ্গে। তিনি জাফর ইকবাল..

যুক্তরাজ্যে ১৫ মাসের বেশি সময়ের চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। দেশে ফেরার এক দিন পরই তাঁকে দেখতে ....

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা কাজী জেসিন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান.....

ময়ূরপঙ্খী এবং ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল একাডেমীর উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে ‘২য় আইপা অ্যাওয়ার্ড’ (ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যাচিভার) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে । স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশ-বিদেশের,,,,

আনন্দ আলো: কেমন আছেন? দীপ্তি চৌধুরী: ভালো আছি। আনন্দ আলো: জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। কেমন চলছে? দীপ্তি চৌধুরী: প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো। মাঝে মাঝে মনে হয় অনন্তকাল এরকম একসাথে আছি; কখনো আবার মনে হয় এই তো সেদিন এক হলাম। আনন্দ আলো: বিয়ে আপনার কাছে কি?

সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তসলিম উদ্দিন খান বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পেশাজীবী। দীর্ঘ সময় ধরে....

বাংলাদেশের করপোরেট জগতে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তারা সময়, সমাজ, অর্থনীতি এবং ভোক্তা মনস্তত্বকেও গুরুত্বপুর্ন করে তোলার ক্ষেত্রেও ইগলুর প্রধান

ইচ্ছে ঘুড়ি বলে একটা কথা আছে। নাটাই আমার হাতে। আকাশে উড়িয়ে দিলাম ঘুড়ি। এই আনন্দ একাও করা যায়। আবার অন্যদের নিয়েও করা যায়। তবে একার আনন্দের চেয়ে বন্ধু, শুভাকাঙ্খী, স্বজনদের নিয়ে আনন্দ করার মজাই আলাদা