
সবার সেরা স্পেন
শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার লড়াইয়ে তিন বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে পরাস্ত করে ২০২৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ১৬ বছর পর এটি স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়। ঐতিহাসিক মেটলাইফ স্টেডিয়ামে.....

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ ব্যবধানে হেরে শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার পর একটুও রাখঢাক না রেখে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিলেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্প্যানিশদের কারিগরি ফুটবল ও কৌশলের কাছে ফরাসিদের শক্তির জায়গাগুলো যেভাবে মার খেয়েছে, তা ম্যাচশেষে গণমাধ্যমের সামনে খোলামেলাভাবেই তুলে ধরেন এ তারকা ফরোয়ার্ড।

ম্যাচপরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমবাপ্পে বলেন, আমার মনে হয় না আমরা যে কৌশল, কারিগরি বা সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে খেলতে চেয়েছিলাম, তার কিছুই মাঠে দেখাতে পেরেছি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে আপনি যদি নিজের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করতে না পারেন, তবে কোনোভাবেই জেতা সম্ভব নয়।
ম্যাচের কৌশলগত দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এমবাপ্পে জানান, তাদের মূল পরিকল্পনা ছিল স্পেনকে মাঠের ওপরের দিকেই (হাই প্রেস) চেপে ধরা, যাতে তারা নিজস্ব ধীর ও নিয়ন্ত্রিত ছন্দ তৈরি করতে না পারে। কিন্তু মাঠের খেলায় স্প্যানিশরা সেই পরিকল্পনা চূর্ণ করে দেয়।
এমবাপ্পে বলেন, ‘খেলা নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে স্পেন আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আমরা তাদের থামাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। মাঠের মাঝখানে (মিডফিল্ড) আমরা বারবার ‘৩ বনাম ২’ খেলোয়াড়ের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ছিলাম। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে মিডফিল্ডে এমন পরিস্থিতিতে পড়া মানেই বড় বিপদ। আমাদের বল টাচ বা মুভমেন্ট কোনোটিই সেমিফাইনাল খেলার যোগ্য ছিল না।’

চলতি বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে ৮ গোল করা ২৭ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ড দেশের হয়ে পুনরায় ইতিহাস গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ফাইনালে উঠে দেশকে আরও একবার স্বপ্ন দেখানোর সুযোগ দেওয়া আমাদের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এখন আমাদের মাথা উঁচু করেই এ পরাজয় মেনে নিতে হবে। জেতার পর যেমন মাথা উঁচু রাখা যায়, পরাজয়ের পরও তা ধরে রাখা উচিত।’
তবে এ সান্ত¡নার মাঝেও হতাশা লুকাতে পারেননি এমবাপ্পে, এ মুহূর্তে দলের ভেতরে তীব্র হতাশা বিরাজ করছে। আমি ও আমার সতীর্থরা কতটা হতাশ, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তবু ফুটবল কারও জন্য থেমে থাকে না। এখন আমাদের এ ব্যর্থতা ভুলে শিক্ষা নিতে হবে, ছুটিতে গিয়ে মনকে চাঙা করতে হবে এবং নতুন অধ্যায়ের জন্য আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার লড়াইয়ে তিন বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে পরাস্ত করে ২০২৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ১৬ বছর পর এটি স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়। ঐতিহাসিক মেটলাইফ স্টেডিয়ামে.....

নেইমারের জন্য কান্না নেইমারের কথা দিয়েই লেখাটা শুরু করি। পৃথিবীর কোন প্রান্তে, বাংলাদেশ থেকে ঠিক কত শত, হাজার মাইল দুরে ব্রাজিলের অবস্থান তা অনেকেই জানেন না। তবে নেইমারকে চিনেন বাংলাদেশের অধিকাংশ ফুটবল ভক্ত মানুষ।

-এ শুরু হয়েগেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল উৎসব ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরকে ঘিরে ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ।

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে উন্মোচন করা হয়েছে অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘অ্যাডিডাস ট্রাইওন্ডা’। কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনে এই বিশ্বকাপের প্রতীকী উপস্থাপন হিসেবেই বলটির নকশা

ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের আবেগ, উন্মাদনা এবং সংস্কৃতির এক মহা-উৎসব। আর এই উৎসবের পারদ যখন চড়তে চড়তে চরম সীমায় পৌঁছায়, তখন তাতে বাড়তি রঙ, সুর আর মোহময়তা যোগ করে সংগীত

সারা পৃথিবী এখন ফুটবল জ্বরে ভুগছে। জ্বর শব্দটা আতংকের। শারিরীক অসুস্থতার কারণে শরীরের জ্বর হয়। কিন্তু ফুটবল জ্বর আতংকের কোনো বিষয় নয়। বরং আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ ফুটবল জ্বর। বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে গোটা

কখনও কখনও মনে হয় বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় তখন আনন্দ আর খুশির আতিশয্যে আসলে কি করবে বাংলাদেশের মানুষ? সারাদেশ আনন্দে মেতে উঠবে। আনন্দ-উৎসবের পর্যরদ সে কোথায় গিয়ে ঠেকাবে

মেসি...মেসি...মেসি। সারা বিশ্বেই তাঁর বন্দনা চলছে। লিওনেল মেসি নিজেকে এখন এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যাকে এককথায় বলতে হয় ‘আনপ্যারালাল’ বা অতুলনীয়। ফুটবলার হিসেবে আমাদের অনেকেরই অনেকের প্রতি আবেগ বা পছন্দ থাকতে পারে