হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের সংলাপ আর কারো মনে থাকুক বা না থাকুক প্রেমিক, প্রেমিকাদের খুব বেশী মনে থাকে। দীপ্তি চৌধুরী তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। দীপ্তির পরিচয় দেবার কি প্রয়োজন আছে? তবুও বলি চ্যানেল আই এর জনপ্রিয় উপস্থাপক। চব্বিশ এর গণ অভ্যূত্থানে তার ভূমিকা দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত, প্রশংসিত। ‘দীপ্তি চৌধুরী, বাংলাদেশ’ বললেই পরিচয়ের আর কিছু লাগে না। সবার প্রিয় দীপ্তি চৌধুরী কয়েকদিন আগে বিয়ে করেছেন। তার আকদ সম্পন্ন হয়েছে রাজধানীর একটি হোটেলে। বরের নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। যুক্তরাজ্যে পড়াশুনা করেছেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইডি সম্পন্ন করার পর বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইনজিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
আকদ সম্পন্যের কয়েক ঘণ্টা পর দীপ্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার জীবন সঙ্গীর উদ্দেশে লিখেছেন, মাস্টার সাহেব আপনি আমার জন্য দু’ফোটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।
উল্লেখ্য, জীবন সঙ্গীর উদ্দেশে দীপ্তির ব্যবহার করা বাক্যটি মূলত: হুমায়ূন আহমেদের একটি উপন্যাস থেকে নেওয়া। হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন, ‘ডাক্তার সাহেব তুমি আমার জন্য দু’ফোটা চোখের জল ফেলেছ। তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাদিব। দীপ্তি ডাক্তার সাহেবের জায়গা ‘মাস্টার সাহেব’ শব্দ দুটি ব্যবহার করেছেন।
আসলে দীপ্তি চৌধুরী ব্যক্তি জীবনে হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের নায়িকাদের মতোই সৎ, মেধাবী ও মানবিক মানুষ। পাশাপাশি তিনি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে লালন এবং পালন করেন বলেই অবলীলায়, অকপটে, নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন। জীবন সঙ্গীর উদ্দেশে প্রকাশ করা কথা গুলোই তার প্রমাণ।
চ্যানেল আই এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘স্ট্রেইট কাট’ সহ একাধিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া দীপ্তি চৌধুরী চ্যানেল আই এরই আরেকটি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো স্বর্ণকিশোরী থেকে উঠে আসেন। ঢাকায় বাংলামটর এলাকায় একটি রেস্তোরায় দুই পরিবারের সদস্য ও কিছু আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে দীপ্তি ও মুশতাক এর আকদ সম্পন্ন হয়। চ্যানেল আই এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর ও নগরীর আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আকদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিয়ের খবর প্রকশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। জীবনের নতুন অধ্যায়ের পা রাখা দীপ্তি ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের ভক্ত ও অনুরাগীরাও। আনন্দ আলো পরিবারের পক্ষ থেকেও তাদের জন্য রইলো অনেক শুভ কামনা।