
ফাইনালের হাফটাইমে পারফর্ম করবেন ম্যাডোনা, শাকিরা ও বিটিএস
ফুটবল আর সংগীত-দুটি ভিন্ন জগৎ। কিন্তু বিশ্বকাপ এলে এই দুই জগৎ যেন একসুতোয় গাঁথা পড়ে। আর এবার সেই সংযোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাচ্ছে ফিফা।.....

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে তামিম ইকবাল প্রায় প্রতিদিন প্রচার মাধ্যমের খবরে গুরুত্ব পাচ্ছেন। তামিম বলেছেন, ‘সাধারণত এমন দায়িত্ব পেলে অনেকেই ডেভেলপমেন্টসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন; কিন্তু আমি ও আমার দল একসঙ্গে অনুভব করছি- আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুনাম পুনরুদ্ধার করা। গত দেড় বছরে যে সুনামের ক্ষতি হয়েছে, সেটি ঠিক করাই আমাদের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।’
তামিমের নেতৃত্বে ক্রিকেট বোর্ডের আহ্বায়ক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিন মাসের জন্য। এ সময়ের মধ্যে তাদেরকে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। এই দায়িত্বও ঠিকভাবে পালন করতে আশাবাদী তিনি, ‘আমরা চেষ্টা করব এ কাজটি যত দ্রুত এবং যতটা সম্ভব সৎভাবে সম্পন্ন করতে।’
আগে ভাত, আলু ভর্তা, গরুর মাংস খেতেন ক্রিকেটাররা, এখন বিসিবি দেবে ফিটনেস-সম্মত খাবার।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) দলগুলো এত দিন দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করত নিজেরাই। সেখানে বেশির ভাগ সময়ই থাকত ভাত, আলু ভর্তা আর গরুর মাংসের মতো খাবার।
এখন থেকে দলগুলোর খাবারের ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), সেখানে থাকবে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের ক্ষতি করবে না, এমন খাবার।
এ কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

তামিম বলেন, অনূর্ধ্ব-১৯ বা “এ” দলের ক্রিকেটাররা হয়তো অভ্যস্ত। কিন্তু ঘরোয়া লিগে খেলা ক্রিকেটারদের জন্য পুরোটা বদলে ফেলা কঠিন। কিন্তু স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না হচ্ছে, এটা আমরা চেষ্টা করব।’
প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরে তামিম নিজেও ছিলেন ক্রিকেটার। বিকেএসপিতে মোহামেডানের হয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। এবার তাই বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
প্রিমিয়ার লিগের ছয়টি ভেন্যুতে চার থেকে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে বলে জানিয়েছেন তামিম, ‘আমার কাছে মনে হয়, এটা বিসিবির দায়িত্ব, সবার নিরাপদ থাকা নিশ্চিত করা। আমরা যতটুকু করতে পারি, অতটুকু ব্যবস্থা করে রাখি। আমাদের প্রতিটা মাঠেই কমবেশি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে।’
এ ছাড়া এবারের প্রিমিয়ার লিগ থেকে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নিয়মকানুনও বিপিএলে অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আরও অনেকের মতো মামলা হয়েছে সাকিব, মাশরাফি ও নাঈমুরের বিরুদ্ধে। সাকিব ও মাশরাফি ওই সরকারের আমলেই আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন, নাঈমুর সংসদ সদস্য ছিলেন তার আগেরবার।
তামিম বলেন, আমাদের তিনজন সাবেক অধিনায়ক একই অবস্থায় আছেন। কাজেই আমি শুধু একজনকে নিয়ে কথা বলা ঠিক মনে করছি না। বিসিবি তাদের ক্রিকেটীয় জায়গা থেকে যেকোনো সহায়তা করতে সব সময় প্রস্তুত।
আইনগত যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আমাদের মন্ত্রী সাহেবও নমনীয় হওয়ার কথা বলেছেন। বিসিবি তাদের খোলামেলাভাবেই স্বাগত জানাবে যদি তারা তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে আসতে পারে।’
একটি সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির তিনটি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তামিম ইকবাল। যার অন্যতম কাউন্টি ক্রিকেটের মতো জাতীয় ক্রিকেট লিগের দলগুলোর দ্বিতীয় একাদশ গঠন করা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সমান্তরালে এই মৌসুম থেকেই প্রতিটি বিভাগীয় দলের দ্বিতীয় একাদশ খেলবে তিন দিনের টুর্নামেন্ট।
এই টুর্নামেন্টের কথা জানাতে গিয়ে তামিম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্রিকেটারদের জন্যই আমাদের বেশির ভাগ ক্রিকেট। যারা জাতীয় দলে খেলে, তারাই বিপিএল খেলে, বিসিএল খেলে, এনসিএল খেলে। একটা শ্রেণির খেলোয়াড়েরা ৫-৬টা টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু যারা থার্ড ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশন বা ফার্স্ট ডিভিশন খেলে, তাদের জন্য এই লিগ খেলা ছাড়া আর কোনো খেলা নেই।’ তামিম মনে করেন, এ কারণেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সেকেন্ড ডিভিশন বা থার্ড ডিভিশন থেকে কোনো খেলোয়াড়ের জাতীয় দলে আসার ঘটনা তেমন নেই। তাঁরা ওই প্ল্যাটফর্মটাই দিতে চান ক্রিকেটারদের।
জাতীয় লিগে দ্বিতীয় একাদশের টুর্নামেন্ট সম্পর্কেও বিস্তারিত বলেছেন তামিম, ‘কাউন্টি ক্রিকেটে ফার্স্ট ইলেভেন এবং সেকেন্ড ইলেভেন থাকে। এখন থেকে এনসিএল যখন শুরু হবে, চিটাগংয়ের দুইটা টিম থাকবে-ফার্স্ট ইলেভেন ও সেকেন্ড ইলেভেন। ঢাকারও দুটি টিম থাকবে। এভাবে প্রতিটি টিমের ফার্স্ট ও সেকেন্ড ইলেভেন থাকবে। ফার্স্ট ইলেভেনের অনেক খেলোয়াড় থাকে যারা বেশির ভাগ সময় ১২তম, ১৩তম বা ১৪তম খেলোয়াড় হয়ে থাকে, খেলার সুযোগ পায় না। কিন্তু সেকেন্ড ইলেভেন যখন আমরা শুরু করব, তখন আরও ১০০-১৫০ বা ২০০ ক্রিকেটার খেলার মধ্যে আসবে।’
ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তামিম ইকবাল মাঠের ক্রিকেট, নারী ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দর্শকদের সুযোগ-সুবিধা এবং বোর্ডের ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ে নিজের খোলামেলা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
প্রশ্ন: দলের অধিনায়ক আর বোর্ডের সভাপতি হওয়ার মধ্যে পার্থক্য কতটা?
তামিম ইকবাল: পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল। অধিনায়ক হিসেবে আপনার চিন্তা থাকে শুধু মাঠের ক্রিকেট আর খেলোয়াড়দের নিয়ে। কিন্তু সভাপতি হিসেবে আপনাকে সামগ্রিক উন্নয়নের কথা ভাবতে হয়-খেলোয়াড় থেকে শুরু করে কোচিং স্টাফ এবং বোর্ডের প্রতিটি কর্মচারী। এখানে আপনি আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না; প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হয় দেশের ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে।
প্রশ্ন: অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা কি এখানে কোনো কাজে দিচ্ছে?
তামিম: অবশ্যই। আধুনিক ক্রিকেটাররা কী পছন্দ করে বা তাদের চাওয়া-পাওয়া কী, সেটা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। ড্রেসিংরুমে বসে আমরা বোর্ড সম্পর্কে কী আলোচনা করতাম, সেটা আমার মনে আছে। খেলোয়াড় এবং বোর্ডের মধ্যে যে মানসিক দূরত্ব ছিল, আমি সেটা ঘোচাতে চাই। যদিও নির্বাচনের খুব বেশি দেরি নেই, তাই হাতে সময় কম। বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন এনেও মানুষের মনে আশা জাগানো সম্ভব।
প্রশ্ন: আপনি বর্তমান সময়ের অন্যতম কনিষ্ঠ বোর্ড সভাপতি। আইসিসি বা অন্য বোর্ডগুলোর সাথে আপনার যোগাযোগ কেমন হবে?
তামিম: আমি স্বচ্ছ যোগাযোগে বিশ্বাসী। অংশীদারদের সাথে ডিল করার সময় যৌক্তিক হওয়া প্রয়োজন। আমি যদি বাংলাদেশ ক্রিকেটের লক্ষ্যটা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারি, তবে অন্য বোর্ডগুলোও তা ইতিবাচকভাবে নেবে। আমি ক্রিকেটকে একটি বড় পরিবার হিসেবে দেখি, যেখানে বড়রা ছোটদের বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেয়।
প্রশ্ন: দায়িত্ব নেওয়ার পর আপনি দর্শকদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কথা বলেছিলেন। এ নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?
তামিম: দর্শকরাই আমাদের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার। কিন্তু আমরা তাদের কী দিচ্ছি? যে লোক ২০০ টাকায় টিকিট কাটে, সে ২৫০ টাকা দিয়ে বিরিয়ানি খাবে কীভাবে? আমি আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন সবার জন্য বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করতে চাই। মিরপুর স্টেডিয়ামের সংস্কার নিয়ে কথা বললে বলতে হয়, এখানকার টয়লেটগুলোর যে অবস্থা, তাতে কোনো অভিভাবক কি তাঁর সন্তানকে সেখানে নিয়ে যেতে চাইবেন? দল কেমন ব্যাটিং-বোলিং করবে তা আমার হাতে নেই, কিন্তু মাঠে এসে একজন দর্শক যেন স্বস্তিতে খেলা দেখতে পারেন, তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব।
প্রশ্ন: আপনি কি শুধু অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবেই থাকতে চান, নাকি ভবিষ্যৎ নিয়ে অন্য কিছু ভাবছেন?
তামিম: আমি প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই পরিষ্কার করেছি যে, পরবর্তী নির্বাচনে আমি সভাপতি পদে লড়ব। আমার দায়িত্ব হলো একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। স্টেকহোল্ডাররা এটি পাওয়ার যোগ্য। এরপর যদি সুযোগ পাই, তবে আমার ভিশন অনুযায়ী কাজ করব। পাইপলাইনে ক্রিকেটার তৈরি করা থেকে শুরু করে ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো এবং গ্রামে-গঞ্জে ক্রিকেটের প্রচারণা চালানো-সবই আমার পরিকল্পনায় আছে।

প্রশ্ন: নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
তামিম: নারী ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার এক নম্বর অগ্রাধিকার। অতীতে যা ঘটেছে (সাবেক নির্বাচকের বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ), তা থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁদের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একজন বাবা-মা তাঁর মেয়ের রান বা উইকেটের চেয়ে তাঁর ভালো থাকা এবং নিরাপত্তা নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকেন। বিসিবি প্রধান হিসেবে আমার কাজ হলো সেই আস্থার জায়গা তৈরি করা।
প্রশ্ন: দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বা সিলেকশনে আপনি কতটা হস্তক্ষেপ করবেন?
তামিম: আমি পেশাদারিত্বে বিশ্বাস করি। আমি দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলেছি, তাই কী ঘটছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। কিন্তু বারবার আইডিয়া দেওয়া বা চাপিয়ে দেওয়া দলের জন্য ভালো নয়। নির্বাচকদের কাজের স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি যদি সব বিষয়ে ডিক্টেট করা শুরু করি এবং দল খারাপ করে, তবে জবাবদিহিতা কার কাছে থাকবে? আমি শুধু পর্যবেক্ষণ করব, কিন্তু তাঁদের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করব না।
প্রশ্ন: ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আবার ফিরিয়ে আনতে আপনার পরিকল্পনা কী?
তামিম: পাঁচজন জনপ্রিয় ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার যখন শেষ দিকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই একটা শূন্যতা তৈরি হয়। এখানেই প্রচারণার গুরুত্ব। আমাদের কাজ হলো এই প্রজন্মের ক্রিকেটারদের শিশুদের কাছে ‘হিরো’ হিসেবে উপস্থাপন করা। মিডিয়ার সামনে গিয়ে তাঁদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলে ব্র্যান্ড হিসেবে ক্রিকেটের ক্ষতিই হবে।
আরও পড়ুন: তামিমকে ধন্যবাদ, নাঈম দুর্ভাগা: রাজিন সালেহ
প্রশ্ন: বিসিবি নির্বাচন কত দূরে?
তামিম: আমাদের তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে, তবে আমি আশাবাদী তিন মাসের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
প্রশ্ন: সবাইকে একসাথে নিয়ে চলার চ্যালেঞ্জটা কীভাবে দেখছেন?
তামিম: এই উপমহাদেশে তরুণ নেতৃত্ব মেনে নেওয়া অনেকের জন্য কঠিন হতে পারে। তবে সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং সঠিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমি বিশ্বাস অর্জন করতে চাই। সভাপতির চেয়ারে বসে অহংকার বা রাগের কোনো জায়গা নেই। আমি এখানে কাউকে ডিক্টেট করতে আসিনি, বরং সবাইকে সম্মান দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

ফুটবল আর সংগীত-দুটি ভিন্ন জগৎ। কিন্তু বিশ্বকাপ এলে এই দুই জগৎ যেন একসুতোয় গাঁথা পড়ে। আর এবার সেই সংযোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাচ্ছে ফিফা।.....

ক্রিকেটের আগে আমাদের দেশে ফুটবলই জনপ্রিয় ছিল। এখনও জনপ্রিয় তাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু আমাদের ফুটবল খেলা যেন দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে নিজেকে মেলে ধরতে পারছে না....

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টি-টুয়েন্টির জন্য ১৫ সদস্যের দল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও পেসার রিপন মন্ডল। বয়সভিত্তিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতার পুরস্কার পেলেন দুজন। তাদের দলের নেয়ার পেছনের কারণ জানিয়েছে বিসিবি।

এক-দুজন নয়, প্রথমবারের মতো একসঙ্গে পাঁচ ক্রিকেটারকে নাগরিকত্ব দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই ক্রিকেটারদের দলে নিয়ে আজ নেপালের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।


সেঞ্চুরির পথে মাত্র একটি ডট, বাবর আজমের রেকর্ড


মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে যেকোনো ম্যাচের আগে উইকেট প্রসঙ্গ আসেই। পাকিস্তান সিরিজের প্রথম টেস্টের আগেও ব্যতিক্রম হল না। উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল ......